রাত নির্ভর মির্জাপুরের মাটি ব্যবসায়ীরা, এ যেন কেউ দেখেও দেখেনা
মোঃ রুবেল মিয়া , স্টাফ রিপোর্টারঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীরা রাতকে নির্ভর করেই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। দিনের বেলা চলে মাটি কাটার মহোৎসব এবং রাতের বেলা চলে মাটি সরবরাহের কাজ। যে যেন কেউ দেখেও দেখেনা।
প্রসাশনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কয়েকজন প্রভাবশালী মাটি ব্যবসায়ী ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নদী ও কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে এস্কেভেটর মেশিন (ভেকু)
ব্যবহার করে প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে দীর্ঘদিনধরে মাটি উত্তোলন করে নিকটবর্তী ইটভাটাসহ বিভিন্ন ব্যক্তির জায়গায় বিক্রি করে আসছে।
এতে করে দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলের নদীপাড়ের মানুষের দূর্ভোগের শেষ নেই। নদীর পাড় থেকে মাটি উত্তোলনের ফলে কৃষক হাড়াচ্ছে তার ফসলি জমি। গাড়ি চলাচলের কারণে সরকারি রাস্তা ঘাট ও ব্রিজ কালভার্ট হয়ে পরছে ঝুঁকিপূর্ন।
সরেজমিনে পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, হাঁটুভাঙ্গা ও বংশাই সেতুর পূর্ব পার্শ্বে বংশাই নদীতে সন্ধ্যা থেকে ভোর-সকাল পর্যন্ত চলে মাটি কাটার মহোৎসব। নদীর পাড় ঘেষে ভেকু মেশিন দিয়ে বিশাল আকারে গর্ত করে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। এভাবে রাতের আঁধারে অ-বিরত মাটি কাটা হলেও প্রশাসনের তেমন কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি।
উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের পাথড়ঘাটা এলাকায় বিশাল ড্রেজার বসিয়ে মাটি উত্তোলন করছে। মাটি খনন প্রকল্প ও সরকারি কাজের নাম ভাঙ্গিয়ে মাটি খেকোরা মাটি উত্তোলন করে। এই মাটি বিভিন্ন ইটভাটা ও বসতভিটার কাজে মাটি বিক্রি করে। এই নদী খনন কারার কারণে ঝুঁকিরমূখে আছে আশপাশের বসত বাড়িগুলো।
পাথরঘাটা বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারিভাবে কাজ করলেও মাটির ভূগর্ভে থেকে মাটি চলে গেলে নদী পাড়ের আমাদের রাস্তাঘাট ভেঙে পরবে এবং বাড়িঘরগুলো বিলিন হয়ে পরবে। নদী ভরাট হলে তা প্রাকৃতিক নিয়মে নদী খনন করুক যাতে অন্যের ক্ষতি না হয়। এজন্য প্রশাসনের সুদৃ
এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা সহকারী (ভূমি) মো. তারেক আজিজ বলেন, রাত আর দিন নয় অভিযোগ পেলে আমরা অভিযান পরিচালনা করি। এর আগেও আপনারা দেখেছেন এসিল্যান্ড যা বলে তা মোটামুটি হয়। আমাকে অন্যকেউ ফোন দিয়ে ভূলপথে নিয়ে সেটা সুযোগে কাজে না খাটায়। আমরা আপনাদের বিশ্বাস করি আমাকে সঠিক তথ্যদিন আমরা অভিযান পরিচালনায় অব্যাহত রাখব।








