ঢাকা | মার্চ ১২, ২০২৬ - ১০:৫৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

স্বাধীনতার পর প্রথম মন্ত্রী পেল বাসাইল-সখিপুর ‎দুই উপজেলায় আনন্দ মিছিল

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Thursday, March 12, 2026 - 2:17 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 74 বার

রঞ্জ আহমেদ, উপজেলা প্রতিনিধি, সখিপুর( টাঙ্গাইল) :
‎টাঙ্গাইল -০৮  (বাসাইল- সখীপুর) আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। আজ মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদ ভবনে এড. আহমেদ আযম খান কে মন্ত্রী হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করান। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় সখীপুর বাসাইলের নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের মাঝে খুশি ও আনন্দের জোয়ার বইছে। সখীপুর ও বাসাইল উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আনন্দ মিছিল বের করে।

‎এড. আহমেদ আযম খান পেশাগত জীবনে একজন  বিশিষ্ট আইনজীবী ও রাজনীতিক। তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি সফলতা ও দক্ষতার সাথে  টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি ও আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন নেতা। সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সাথে প্রায় চল্লিশ হাজারের মতো ভোট বেশি পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
‎উল্লেখ্য এই আসন থেকে ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হয়েছিলেন হুমায়ূন খান পন্নী ।
‎পরবর্তী সময়ে টাঙ্গাইল-০৮ আসন থেকে কেউ মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী হননি। এই আসন থেকে এই প্রথম  এড. আহমেদ আযম খান পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন।

‎সখীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক  সিকদার মোহাম্মদ ছবুর রেজা বলেন, আমরা সখীপুর বাসাইল তথা টাঙ্গাইলবাসী গর্বিত যে আমরা স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর এই প্রথম একজন মন্ত্রী পেলাম। আমরা সখীপুর এবং বাসাইলবাসী গর্বিত এবং আনন্দিত হয়েছি।

‎এড. আহমেদ আযম খান মন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন, মাননীয় মন্ত্রীর হাত ধরে আমাদের সখীপুরের আঁটিয়া বন অধ্যাদেশ সহ সখীপুর বাসাইলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হবে এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড ও উন্নয়ন সাধিত হবে।

‎বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভিপি ও বাসাইল উপজেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি এনামুল করীম অটল বলেন, এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান সাহেব তৃণমূল থেকে তিল তিল করে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক কর্মী থেকে নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। সুখে-দুঃখে এলাকার মানুষ তাঁকে পাশে পায়। আমরা বাসাইল উপজেলা বাসী সত্যিই ভাগ্যবান এবং গর্বিত বাসাইল উপজেলার সন্তান হিসেবে এড. আহমেদ আযম খানকে মাননীয় মন্ত্রী হিসেবে পেলাম। আমরা মনে প্রানে চেয়েছিলাম  তিনি যেনো  মন্ত্রিসভায় স্থান পান আজকে আমাদের সেই মনের আশা পূর্ণ হয়েছে। আমরা বাসাইল সখীপুরবাসী আনন্দিত এবং গর্বিত হয়েছি।

‎সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব বলেন, সখীপুর বাসাইল (টাঙ্গাইল ০৮) আসন থেকে আজ পর্যন্ত কেউ  মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পায়নি। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকা জননেতা এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বাসাইল-সখীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের  আশা ও ভরসার প্রতীক এবং নেতাকর্মীদের বিপদে আপদে সুখ দুঃখের আশা ভরসার জায়গা। এই অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি ছিল আমাদের সখীপুর বাসাইলের প্রানের মানুষ, আমাদের প্রিয় নেতা যেনো পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পায়। আমাদের সখীপুর বাসাইলের গণমানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।
‎আমাদের নেতা আজকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। আমরা সকলেই খুব খুশি হয়েছি আনন্দিত হয়েছি। অন্তরের অন্ত: স্থল থেকে নেতার জন্য দোয়া এবং মঙ্গল কামনা করছি। নেতার হাত ধরেই আমাদের এলাকার উন্নয়ন ও কল্যাণ সাধিত হবে।

‎প্রথম বারের মত মন্ত্রীত্ব উপহার দেওয়ার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও এড. আহমেদ আযম খানকে অভিনন্দন জানিয়ে সখিপুরে বিশাল আনন্দ মিছিল বের করে বিএনপি।  মিছিলটি সখিপুর উপজেলা রোডের দলীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে বক্তব্য রাখেন- সখিপুর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি খলিলুর রহমান, মীর আবুল হাসেম আজাদ, আসাদুজ্জামান বাবুল, সবুর রেজা প্রমূখ।