ঢাকা | জুলাই ৩১, ২০২৬ - ৩:৩১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ভাবখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতায় গণসংযোগে ব্যস্ত বিএনপি নেতা শামীম

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Thursday, July 30, 2026 - 8:35 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 8 বার

আরিফ রব্বানী ময়মনসিংহ:আসন্ন স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ১২নং ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন জাতীয়তাবাদী রাজনীতির তরুণ নেতা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সমর্থন প্রত্যাশী,

কোতোয়ালী বিএনপির সাবেক সদস্য জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর বিএনপির সদস্য রফিকুল আলম শামীম।

প্রতিদিন ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময়, মতবিনিময় এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন তিনি। এ সময় তিনি স্থানীয়দের সুখ-দুঃখ, বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়নসংক্রান্ত প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন এবং নির্বাচিত হলে একটি সেবামুখী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন।

গণসংযোগকালে রফিকুল আলম শামীম বলেন, ভাবখালী ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়াই আমার লক্ষ্য। আমি সবসময় মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়েই নির্বাচনে অংশ নিতে চাই।”

এ সময় তার সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকে কেন্দ্র করে তাকে নিয়ে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও উৎসাহ-উদ্দীপনা বাড়ছে।

স্থানীয়দের মতে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের প্রচারণা দিন দিন জমে উঠছে। গণসংযোগের মাধ্যমে প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে নিজেদের পরিকল্পনা, উন্নয়নের রূপরেখা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরছেন। এরই ধারাবাহিকতায় রফিকুল আলম শামীমের গণসংযোগ ইউনিয়ন জুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল আলম শামীম বলেন,
জনগণের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে সবসময় পাশে থাকতে চাই। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের মতামতের ভিত্তিতে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, সরকারি সব সুযোগ- সুবিধা যেন প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় স্বচ্ছতার সাথে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। এসময় তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও আন্তরিক সমর্থন প্রত্যাশা করেন।