ঢাকা | এপ্রিল ২৩, ২০২৬ - ১০:২৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ছাত্রদল থেকে উঠে আসা মুক্তিকে সংরক্ষিত নারী আসন এমপি হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূল

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Monday, March 30, 2026 - 12:34 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 72 বার

স্নিগ্ধা খন্দকার, স্টাফ রিপোর্টারঃত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হযেছে। এরপর থেকে সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে পঞ্চগড়ের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষা থাকলেও মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মুখে এখন সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে আশির দশকের ছাত্রদল থেকে উঠে আসা বিএনপি’র আন্দোল সংগ্রামের নেতাকর্মীদের প্রিয় মুখ জেলা মহিলাদলের সভাপতি প্রয়াত জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেনের স্ত্রী এবং পঞ্চগড় বিএনপি’র প্রবীন রাজনীতিবীদ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মৃত আশরাফুল ইসলামের মেয়ে লায়লা আরজুমান্দ বানু মুক্তি । বিএনপি’র নেতাকর্মীদের তিনি মুক্তি আপা বলে পরিচিতি।

জানা গেছে জেলা মহিলাদল প্রতিষ্ঠার পর থেকে নারীদের জাতীয়তাবাদী আদর্শে অর্ন্তভূক্ত করার জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন মুক্তি । এর আগে ১৯৮৬ সালে জেলা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে আসেন মুক্তি। ১৯৯০ সালের এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে বিএনপির হয়ে নারীদের সংগঠিত করতে সেই সময় মুক্তি সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। ছাত্রদলের উপজেলা মহিলা সম্পাদিকা হিসেবেও নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৯৬ সালে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করলে নানা প্রতিবন্ধকতার মাঝেও মুক্তি মহিলাদলের সদস্য হয়ে পঞ্চগড়ের জাতীয়তাবাদী চেতনায় উজ্জিবিত হয়ে রাজনীতিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন এই নারী নেত্রী। সদস্য থেকেই নারীদের বিএনপির রাজনীতিতে সংগঠিত করতে দূর্দান্ত ভূমিকার জন্য ২০০৩ সালে মুক্তি পঞ্চগড় জেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক পদে আসীন হয়। পরে ২০১০ সালে মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক পরে ২০২১ সালের পঞ্চগড় জেলা মহিলা দলের কাউন্সিলে পঞ্চগড় জেলা মহিলা দলের সভাপতি হিসেবে বর্তমান দায়িত্ব পালন করছেন।
মুক্তি একাধারে সঙ্গীত শিল্পী হিসেবেও জেলায় সুনাম কুড়িয়েছেন। রাজনীতির বাইরেও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য মঞ্চ নাটকে অভিনয় এবং আবৃত্তি করার দক্ষতা রয়েছে তার। এছাড়াও ১৯৯৭ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত সেচ্ছাসেবী হিসেবে রক্তদান কর্মসূচির সভাপতি ছিলেন মুক্তি। সেই সাথে রেডক্রিসেন্টের সদস্য ছিলেন মহিলা দলের সভাপতি লায়লা আরজুমান্দ মুক্তি।
রাজনীতি করতে গিয়ে নারী সেবার পাশাপাশি তিনি খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ পাওয়া তার জীবনের সবচেয়ে গৌরবময় দিন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ২০০৫ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তৃনমূলের কাজে পঞ্চগড় শিল্পকলা একাডেমিতে একটি অনুষ্ঠানে মহিলা এমপি হওয়ার জন্য বায়োডাটা তারেক রহমানের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। সেই মহুর্তটিই আমার জীবনের সোনালি দিন বলে জানান মুক্তি। এদিকে প্রয়াতা দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাথে আমার সৌজন্য সাক্ষাত এবং ১৯৯০ সালে আন্দোলনের সময় খালেদা জিয়ার সাথে করে দিনাজপুর পর্যন্ত কর্মসূচিতে একসাথে ঘুরে বেড়ানোর সৌভাগ্য হয়েছে। বলে জানান মুক্তি।
বিএনপি মহিলা দল এবং বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান রাজপথের আন্দোলন থেকে শুরু করে শিক্ষাঙ্গন দুই অঙ্গনের অভিজ্ঞতা থেকে নেতৃত্বগুনের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে মুক্তির রাজনৈতিক পরিচিতি। দলের দূর্দিনে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা মহিলাদলকে সুসংগঠিত করতে এবং নারী নেত্রীদের একত্রিত করার ক্ষেত্রে মুক্তির অবদান মুক্তি আপাকে রাজনীতিতে আলাদা অবস্থান এনে দিয়েছে। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নানা চাপ ভয়ভীতি উপেক্ষা করে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনে বিগত দিনগুলোতে নেতৃত্ব দিয়েছেন মহিলা দলের সভাপতি লায়লা আরজুমান্দ বানু মুক্তি।
পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তারেকুজ্জামান তারেক জানান আসলে মুক্তি আপা দলের জন্য নিবেদিত প্রান। আন্দোলন সংগ্রামের দিনগুলোতে তিনি নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। তিনি নারী এমপি হলে আমরা তার পাশে থাকবো।
মুক্তি সাংবাদিকদের জানান বিএনপি’র কঠিন মুহুর্তে যখন মানুষ বিএনপি’র পরিচয় দিতে ভয় পেত নেতারাও যখন আত্মগোপনে ঠিক সেই মহুর্তে আমি মহিলা দলের মিছিলে সামনের সারীতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। কারন আমার পরিবারটাই বিএনপি পরিবার। বিএনপি রাজনীতি করার কারনে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বার বার জেলার একমাত্র নারী হিসেবে পুলিশি হয়রানীর শিকার হয়েও মহিলা দলের রাজনীতি থেকে পিছপা হইনি। পঞ্চগড়ে মহিলাদলকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছি। যখন পুরুষরাই মিছিলে আসতে ভয় পেত সেই কঠিন সময়েও আমি মহিলা দলের ব্যানার নিয়ে সকল কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়েছি। বিএনপিকে পঞ্চগড়ে প্রতিষ্ঠিত করতে আমার স্বামী জেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন, আমার বাবা মৃত আশরাফুল ইসলাম পঞ্চগড়ে বিএনপি প্রতিষ্টাকালীন থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমি নিজেও ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে জাতীয়তাবাদী আদর্শের রাজনীতির সাথে জড়িত আছি।

জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জানান লায়লা আরজুমান্দ বানু মুক্তি দীর্ঘদিন থেকে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের রাজনীতির যুক্ত। মুক্তি একজন ভাল সংগঠক তার বাবা পঞ্চগড়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন ।

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
২৯মার্চ ২০২৬
০১৬২৮৫২৯৯১২

স্নিগ্ধা খন্দকার, স্টাফ রিপোর্টারঃ

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হযেছে। এরপর থেকে সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে পঞ্চগড়ের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষা থাকলেও মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মুখে এখন সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে আশির দশকের ছাত্রদল থেকে উঠে আসা বিএনপি’র আন্দোল সংগ্রামের নেতাকর্মীদের প্রিয় মুখ জেলা মহিলাদলের সভাপতি প্রয়াত জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেনের স্ত্রী এবং পঞ্চগড় বিএনপি’র প্রবীন রাজনীতিবীদ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মৃত আশরাফুল ইসলামের মেয়ে লায়লা আরজুমান্দ বানু মুক্তি । বিএনপি’র নেতাকর্মীদের তিনি মুক্তি আপা বলে পরিচিতি।
জানা গেছে জেলা মহিলাদল প্রতিষ্ঠার পর থেকে নারীদের জাতীয়তাবাদী আদর্শে অর্ন্তভূক্ত করার জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন মুক্তি । এর আগে ১৯৮৬ সালে জেলা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে আসেন মুক্তি। ১৯৯০ সালের এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে বিএনপির হয়ে নারীদের সংগঠিত করতে সেই সময় মুক্তি সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। ছাত্রদলের উপজেলা মহিলা সম্পাদিকা হিসেবেও নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৯৬ সালে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করলে নানা প্রতিবন্ধকতার মাঝেও মুক্তি মহিলাদলের সদস্য হয়ে পঞ্চগড়ের জাতীয়তাবাদী চেতনায় উজ্জিবিত হয়ে রাজনীতিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন এই নারী নেত্রী। সদস্য থেকেই নারীদের বিএনপির রাজনীতিতে সংগঠিত করতে দূর্দান্ত ভূমিকার জন্য ২০০৩ সালে মুক্তি পঞ্চগড় জেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক পদে আসীন হয়। পরে ২০১০ সালে মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক পরে ২০২১ সালের পঞ্চগড় জেলা মহিলা দলের কাউন্সিলে পঞ্চগড় জেলা মহিলা দলের সভাপতি হিসেবে বর্তমান দায়িত্ব পালন করছেন।
মুক্তি একাধারে সঙ্গীত শিল্পী হিসেবেও জেলায় সুনাম কুড়িয়েছেন। রাজনীতির বাইরেও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য মঞ্চ নাটকে অভিনয় এবং আবৃত্তি করার দক্ষতা রয়েছে তার। এছাড়াও ১৯৯৭ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত সেচ্ছাসেবী হিসেবে রক্তদান কর্মসূচির সভাপতি ছিলেন মুক্তি। সেই সাথে রেডক্রিসেন্টের সদস্য ছিলেন মহিলা দলের সভাপতি লায়লা আরজুমান্দ মুক্তি।
রাজনীতি করতে গিয়ে নারী সেবার পাশাপাশি তিনি খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ পাওয়া তার জীবনের সবচেয়ে গৌরবময় দিন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ২০০৫ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তৃনমূলের কাজে পঞ্চগড় শিল্পকলা একাডেমিতে একটি অনুষ্ঠানে মহিলা এমপি হওয়ার জন্য বায়োডাটা তারেক রহমানের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। সেই মহুর্তটিই আমার জীবনের সোনালি দিন বলে জানান মুক্তি। এদিকে প্রয়াতা দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাথে আমার সৌজন্য সাক্ষাত এবং ১৯৯০ সালে আন্দোলনের সময় খালেদা জিয়ার সাথে করে দিনাজপুর পর্যন্ত কর্মসূচিতে একসাথে ঘুরে বেড়ানোর সৌভাগ্য হয়েছে। বলে জানান মুক্তি।
বিএনপি মহিলা দল এবং বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান রাজপথের আন্দোলন থেকে শুরু করে শিক্ষাঙ্গন দুই অঙ্গনের অভিজ্ঞতা থেকে নেতৃত্বগুনের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে মুক্তির রাজনৈতিক পরিচিতি। দলের দূর্দিনে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা মহিলাদলকে সুসংগঠিত করতে এবং নারী নেত্রীদের একত্রিত করার ক্ষেত্রে মুক্তির অবদান মুক্তি আপাকে রাজনীতিতে আলাদা অবস্থান এনে দিয়েছে। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নানা চাপ ভয়ভীতি উপেক্ষা করে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনে বিগত দিনগুলোতে নেতৃত্ব দিয়েছেন মহিলা দলের সভাপতি লায়লা আরজুমান্দ বানু মুক্তি।
পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তারেকুজ্জামান তারেক জানান আসলে মুক্তি আপা দলের জন্য নিবেদিত প্রান। আন্দোলন সংগ্রামের দিনগুলোতে তিনি নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। তিনি নারী এমপি হলে আমরা তার পাশে থাকবো।
মুক্তি সাংবাদিকদের জানান বিএনপি’র কঠিন মুহুর্তে যখন মানুষ বিএনপি’র পরিচয় দিতে ভয় পেত নেতারাও যখন আত্মগোপনে ঠিক সেই মহুর্তে আমি মহিলা দলের মিছিলে সামনের সারীতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। কারন আমার পরিবারটাই বিএনপি পরিবার। বিএনপি রাজনীতি করার কারনে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বার বার জেলার একমাত্র নারী হিসেবে পুলিশি হয়রানীর শিকার হয়েও মহিলা দলের রাজনীতি থেকে পিছপা হইনি। পঞ্চগড়ে মহিলাদলকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছি। যখন পুরুষরাই মিছিলে আসতে ভয় পেত সেই কঠিন সময়েও আমি মহিলা দলের ব্যানার নিয়ে সকল কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়েছি। বিএনপিকে পঞ্চগড়ে প্রতিষ্ঠিত করতে আমার স্বামী জেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন, আমার বাবা মৃত আশরাফুল ইসলাম পঞ্চগড়ে বিএনপি প্রতিষ্টাকালীন থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমি নিজেও ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে জাতীয়তাবাদী আদর্শের রাজনীতির সাথে জড়িত আছি।

জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জানান লায়লা আরজুমান্দ বানু মুক্তি দীর্ঘদিন থেকে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের রাজনীতির যুক্ত। মুক্তি একজন ভাল সংগঠক তার বাবা পঞ্চগড়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন ।