ভাবখালী ইউনিয়নে শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা: কুইজ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে প্রাণচাঞ্চল্য
স্টাফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহের সদর উপজেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা-২০২৬ উপলক্ষে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, বিষয়ভিত্তিক কুইজ ও কাবিং প্রতিযোগিতা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১১টায় সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়নের পণ ঘাগড়া ক্লাস্টারের আয়োজনে ভাবখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন। অনুষ্ঠানে পণঘাগড়া ক্লাস্টারের ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন।
সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশিষ কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য রফিকুল আলম শামীম, শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল, ভাবখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিলুফার রহমান স্বপ্না,
ভাবখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং সাবেক সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান (হাব্বন)সহ স্থানীয় গণ্যমান্য। এছাড়াও প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণকারী পণঘাগড়া ক্লাস্টারের ১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও সৃজনশীল বিকাশে এ ধরনের প্রতিযোগিতার গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, কুইজ ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শিশুদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের চেতনা গড়ে তোলে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে যুগোপযোগী ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিকল্প নেই। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের দক্ষ নেতৃত্ব ও দেশের ভবিষ্যৎ সম্পদ।
সভাপতির বক্তব্যে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশিষ কুমার বলেন, প্রাথমিক স্তর থেকেই শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জাতীয় শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা শিশুদের প্রতিভা অন্বেষণ ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, একটি জাতির টেকসই উন্নয়ন নির্ভর করে শিশুদের সঠিক শিক্ষা ও মানসিক বিকাশের ওপর। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব, সাংস্কৃতিক চেতনা, শৃঙ্খলা ও সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আরও সম্পৃক্ত করতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা








