ঢাকা | আগস্ট ৫, ২০২৬ - ৬:১৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ভারত থেকে দেয়া শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বক্তব্যে নয়া দিল্লির কোন সম্পৃক্ততা নেই

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Wednesday, August 5, 2026 - 10:00 am
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 10 বার

জিয়াউল কবীর,স্টাফ রিপোর্টার:২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পিত ভার্চুয়াল বক্তব্য আয়োজনের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছে নয়া দিল্লি। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “এই অনুষ্ঠানের আয়োজনের সঙ্গে সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। অনুষ্ঠানে যা বলা হবে তার সঙ্গেও সরকার একমত নয়।” তিনি জানান, অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থা আয়োজন করছে।

গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আগামী বৃহস্পতিবার সাউথ এশিয়া ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে ভিডিওলিংকের মাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনার। অনুষ্ঠানে তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়সহ আরও কয়েকজন বক্তা থাকবেন বলে জানা গেছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি নয়া দিল্লিতে অবস্থান করছেন। ২০২৪ সালে আন্দোলন দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া চলছে। তবে হাসিনা এই বিচার প্রক্রিয়াকে “আইনগতভাবে বাতিল” বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এদিকে এই ভার্চুয়াল বক্তব্যের বিষয়ে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকা নয়া দিল্লিকে জানিয়েছে, শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

সোমবার ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা এম হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ আশা করে, ভারত সহযোগিতা করবে যাতে পলাতক শেখ হাসিনাসহ কেউ ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির লক্ষ্যে কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে।”

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে, শেখ হাসিনার এই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগ। সরকার এর সঙ্গে জড়িত নয় এবং এর বক্তব্যকে সমর্থনও করে না।

এদিকে ঢাকার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এই অনুষ্ঠান কভার করতে বাংলাদেশের কোনো গণমাধ্যমকর্মীকে ভিসা দেয়নি ভারত।