ঢাকা | আগস্ট ১৯, ২০২৬ - ১১:০০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ট্রাম্পের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সফর-অনুষ্ঠানে নাটালি হার্প, কে এই ঘনিষ্ঠ সহযোগী?

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Wednesday, August 19, 2026 - 3:04 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 19 বার

মো. নাসির, নিউ জার্সি (যুক্তরাষ্ট্র) প্রতিনিধি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ সফর, বৈঠক ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সাম্প্রতিক সময়ে বারবার দেখা যাচ্ছে হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ সহযোগী নাটালি হার্পকে। ৩৫ বছর বয়সী হার্প বর্তমানে প্রেসিডেন্টের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ট্রাম্পের পাশে তার নিয়মিত উপস্থিতি এখন মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত জুলাইয়ে তুরস্ক সফরের সময় সম্ভাব্য ইরানি হামলার আশঙ্কায় ট্রাম্পকে গোপনে অন্য একটি বিমানে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাতেও হার্প তার সঙ্গে থাকা অল্প কয়েকজন ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তার একজন ছিলেন।

হার্পকে অনেক সময় “হিউম্যান প্রিন্টার” বলা হয়। কারণ তিনি ট্রাম্পের জন্য বিভিন্ন সংবাদ ও তথ্য প্রিন্ট করে তার কাছে পৌঁছে দেন। একই সঙ্গে ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট প্রস্তুত ও পরিচালনার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকার কথা বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

২০১৯ সালে ট্রাম্পের ‘Right to Try’ আইনের প্রশংসা করে জাতীয়ভাবে পরিচিতি পান হার্প। পরে তিনি ২০২০ সালের রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে বক্তব্য দেন এবং ২০২২ সালে আবার ট্রাম্পের রাজনৈতিক দলে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হন। ২০২৫ সালে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি হোয়াইট হাউসে এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন।

সম্প্রতি ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে হার্পের নাম উল্লেখ করেন। এ নিয়ে ট্রাম্প শিবিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং হার্পকে ঘিরে গণমাধ্যমের আগ্রহ আরও বেড়ে যায়।

তবে হার্প ও ট্রাম্পের সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে নানা ধরনের জল্পনা ছড়ালেও নিশ্চিত প্রমাণ ছাড়া ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। নিশ্চিত বিষয় হলো—ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে হার্প প্রেসিডেন্টের অত্যন্ত কাছের ও দৃশ্যমান সহযোগীদের একজন হয়ে উঠেছেন।

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের নিকটবর্তী বলয়ে নাটালি হার্পের প্রভাব ও ভূমিকা কতটা—এখন সেটিই হয়ে উঠছে ওয়াশিংটনের নতুন আলোচনার বিষয়।