ঢাকা | সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ - ৯:৪১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

মির্জাপুরে ফার্মাসিস্ট দিয়ে চলছে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Tuesday, September 15, 2026 - 2:23 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 7 বার

মোঃ রুবেল মিয়া,সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র  নির্মিত হলেও পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে সেবা পাচ্ছে না দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষ। ফার্মাসিস্ট দিয়ে চলছে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র। সপ্তাহে  নামমাত্র দুই ৩ দিন খোলা থাকে। সুন্দর ভবন আছে, কিন্তু সেবা না থাকায় অযত্ন-অবহেলায় দিনে দিনে তা পরিত্যক্ত হতে চলেছে। ফলে প্রাথমিক চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হাজারো মানুষ।

ভাওড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি  ২০২১ সালে আমজাদ চেয়ারম্যানের তত্বাবধানে সরকারি অর্থায়নে মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের হারিয়া গ্রামে স্থাপন করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশা ছিল, এখানে সাধারণ চিকিৎসার পাশাপাশি নিরাপদ মাতৃত্ব ও স্বাভাবিক প্রসবের (নরমাল ডেলিভারি) সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে বিগত পাঁচ বছরেও সেই আশা পূরণ হয়নি।

বর্তমান পরিস্থিতি ও স্থানীয়দের দুর্ভোগ পরিত্যক্ত অবকাঠামো ভবনের ভেতরে স্বাভাবিক প্রসবের জন্য নির্ধারিত কক্ষ, চিকিৎসা কক্ষ এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রয়েছে। তবে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেগুলো নষ্ট হতে বসেছে। যার ফলে, নিয়মিত সেবার অভাবে কেন্দ্রটি সপ্তাহে মাত্র ৩ দিন খোলা রাখা হয়। রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ওষুধের সংকট। দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দিয়ে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী জনসাধারণেরা ।

ভাওড়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট রমেন কুমার পাল বলেন, দীর্ঘ ৭ মাস পর সম্প্রতি মাত্র এক বার ওষুধের সরবরাহ পাওয়া গেছে। ইউনিয়নবাসীর স্বাস্থ্যসেবার স্বার্থে তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

 

এ ব্যাপারে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুবেদ কর্মকার বলেন, কেন্দ্রটিতে পূর্ণাঙ্গ সেবা চালুর জন্য যে পরিমাণ জনবল প্রয়োজন, তার অনুমোদন এখনো মেলেনি। ফলে নির্ধারিত চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।

শিশুমৃত্যু ও  মাতৃত্ব মৃত্যুহাড় কমাতে ইউনিয়ন ভিত্তিক হাসপাতাল নির্মান করেন সরকার। কিন্তু ভাওড়া ইউনিয়ন স্বাস্থকেন্দ্রে এই সেবা বর্তমানে বন্ধ আছে। একজন ফার্মাসিস্ট দিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি চালু রয়েছে। তবে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এখানে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা পুনরায় স্বাভাবিক করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।