পুলিশের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে, হামলাকারী ছিল ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর। সে স্কুলের তালাবদ্ধ দরজায় গুলি চালিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে এবং গুলিবর্ষণ শুরু করে।
নিহতদের মধ্যে তিন শিশু ও একজন শিক্ষক
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নিহত তিন শিশুর বয়স ৫, ৮ ও ১১ বছর। নিহত শিক্ষকের বয়স ৫৪ বছর। এ ছাড়া সাত বছর বয়সী আরেক শিশু এবং একজন শিক্ষক গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হামলার পর সন্দেহভাজন কিশোরও নিহত হয়। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন সশস্ত্র ব্যক্তি হামলাকারীকে থামাতে হস্তক্ষেপ করেন। তবে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ ও হামলার উদ্দেশ্য নিয়ে তদন্ত চলছে।
দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার কিছু আগে স্কুলের বাইরে একটি গাড়িতে গুলি চালানোর খবর পেয়ে জরুরি সেবায় ফোন করা হয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই স্কুলের ভেতরে বন্দুক হামলার খবর আসতে থাকে।
খবর পাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং অভিভাবকদের সঙ্গে তাদের পুনর্মিলনের ব্যবস্থা করা হয়।
শোক ও উদ্বেগে স্থানীয় বাসিন্দারা
ঘটনাটি বেন্ড শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর শোক ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ছোট শিশুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন প্রাণঘাতী হামলা স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
ওরেগনের গভর্নর টিনা কোটেক নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। হামলা থামাতে এগিয়ে আসা ব্যক্তির ভূমিকারও প্রশংসা করেছেন তিনি।
তদন্ত অব্যাহত
কেন ওই কিশোর স্কুলে হামলা চালিয়েছিল এবং বিদ্যালয়ের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্দুক হামলার এ ঘটনা আবারও যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলের নিরাপত্তা, আগ্নেয়াস্ত্রের সহজলভ্যতা এবং শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।