প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তকারীরা দীর্ঘদিনের অভিযোগ যাচাই করতে সাক্ষ্যদাতা, সরকারি নথিপত্র এবং ডিএনএ-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করেছেন। অভিযোগটি হলো, ২০০৯ সালে আহমেদ নুর সাঈদ এলমিকে বিয়ে করার সময় ইলহান ওমর তাঁর ভাইকে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অভিবাসন সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে এই অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
গত ১২ অক্টোবর ওয়াশিংটন ডিসিতে ইলহান ওমরের বাসায় ফেডারেল তদন্তকারীরা তল্লাশি চালান। তল্লাশির সময় কর্মকর্তাদের কয়েকটি বাক্সে জব্দ করা সামগ্রী নিয়ে বের হতে দেখা যায়। তবে ডিএনএ নমুনা কখন এবং কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়নি।
তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে অভিবাসন জালিয়াতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা করার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়নি।
অন্যদিকে, ইলহান ওমর দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ভাইকে বিয়ে করার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তাঁর বক্তব্য, এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের সময় ও উদ্দেশ্য নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে তদন্তের ফলাফল এবং সম্ভাব্য আদালত-প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ হবে। ডিএনএ-সংক্রান্ত তথ্য থাকার দাবি নিজে থেকেই কোনো অপরাধ প্রমাণ করে না।