জানা গেছে, ওই উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের মধ্য গড্ডিমারী গ্রামের ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওই গৃহবধু বুধবার রাতে স্বামীর সাথে পাশে ৮ নং ওয়ার্ডে বাবার বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। কিন্তু বাবার বাড়ি নিয়ে না গিয়ে তাকে অন্য একটি বাড়িতে নিয়ে যায় তার স্বামী। ওই গৃহবধুর দাবী, প্রথমে তার স্বামী তার সাথে দৈহিক মেলামেশা করেন পরে গভীর রাতে জামাল নামে এক ব্যক্তি তার স্বামীর উপস্থিতিতে তাকে ধর্ষণ করেন। সকালে তাকে একটি অটো যোগে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। বাবার বাড়ি থেকে তার ভাই প্রথমে তাকে হাতীবান্ধা হাসপাতালে পরে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করান।
এদিকে গৃহবধুর বড় ভাইয়ের সাথে মুঠোফেনে কথা হলে তিনি জানান, আমার বোনের কাছে যে টুকু শুনেছি তা বলার ভাষা নেই। বাবার বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয় তারা দু’জনেই। কিন্তু সেটা না করে সে অন্য একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। প্রথমে তার স্বামী নিজেই আমার বোনের সাথে সহবাস করে। পরে একে একে ৪/৫ জন তাকে জোর করে ধর্ষন করে। ধর্ষন শেষে তাকে আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এখন আমার বোন লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
এ বিষয়ে গড্ডিমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল জানান, আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখেছি ওই গৃহবধু গণধর্ষনের শিকার হয়েছে। আমার ইউনিয়নে একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। ধর্ষনকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।
হাতীবান্ধা থানা অফিসার ইনচার্জ শাহা আলম বলেন, নির্যাতিত গৃহবধূর স্বামীকে প্রথমে স্থানীয়রা আটক করে। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসার পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেল হাজতে প্রেরন করেন। ওই গৃহবধু সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে এটি ধর্ষন না গণধর্ষক তা স্পষ্ট বোঝা যাবে এবং সেই অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।