সখিপুরের কাচিকাটায় বাক প্রতিবন্ধী বোনকে পিটিয়ে আহত করলেন আপন ভাই
শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার কাচিকাটা ইউনিয়নের দুলারচর গ্রামে বাক প্রতিবন্ধী (বোবা) মেয়ে নাজমা বেগম মচির তুলতে গেলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মোঃ মোতালেব মূধা ও এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মামুন এর নেতৃত্বে এ হামলা চালায়।
স্থানীয় ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক
কাচিকাটা ইউনিয়নের দুলারচর গ্রামে মৃত আসমত আলী মূধার মেয়ে বাক প্রতিবন্ধী ( বোবা) মেয়ে নাজমা বিধবা মা এমারন নেছার জমিতে মরিচ তুলতেছে। এমন সময় ওই জমিতে মরিচ তুলার কারণে আপন ভাই মোতালেব মূধা ও এলাকার বকাটে ও ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত তার ছেলে মামুন মূধা, খোরশেদ আলম মূধা,শামিম মূধা,রাসেল মূধা, সহ আরো ৪/৫ জন মিলে দেশীয় অস্ত্রে নিয়ে হামলায় চালায়। এসময় হামলা কারিদের আঘাতে বোবা মেয়ে নাজমা বেগম ঘটনাস্থলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। মৃত্যু ভেবে প্রতিবন্ধী নাজমা বেগমকে ফেলে রেখে জায়। পরপ স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভেদরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে।
এ ঘটনায় বোবা মেয়ের মা এমারন নেছা বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে সখিপুর থানায় এজাহার দাখিল করেন।
এ বিষয়ে প্রতিবন্ধী নাজমা বেগমের মা এমারন নেছা বলেন,আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর আমি আমার এ মেয়ে নিয়ে থাকি, আজ আমার প্রতিবন্ধী মেয়ে কে মারছে আমাকেও হুমকি দিছে আমি ওরে নিয়া কেন হাসপাতালে আসলাম থানায় গেলাম পুলিশ আমাকে কেমনে বাঁচাবে। আমি এ পাষাণের বিচার চাই। আজ আমি মা হয়েও ওর হাত থেকে রক্ষা পেলাম না। আমাকে ভয় দেখায় মেরে ফেলবে। একদিন এমন আসবে ওর সন্ত্রাসী ছেলেরা সবার সামনে ওকে মারবে।
এ বিষয়ে কথা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সখিপুর থানার এসআই নাজমুল বলেন, এমারন নেছা অভিযোগ পেয়েছি, তার মেয়ে হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত বিয়ে তদন্ত গেলে মামনু মূধ্যা পুলিশের সঙ্গে খাবার আচারন করে।দুর্গম এলাকা হয় তাকে ধরে আনতে পারিনি তবে শিগগিরই তাঁতের গ্রেফতারে করা হবে।








