কবিতা “অন্তরালে হারিয়ে যাওয়া অতীত”
রাজলক্ষ্মী মৌসুমী –
> মুখোমুখি বসেছিলাম সেই কবে, কখন, কোথায় মনে নেই তো জানি।
> এই বেমালুম ভুলে যাওয়াটা আধুনিক অবয়ব।
> সেটা আমিও জানি।
> নিজেকে গুছিয়ে নিতে পারলাম না কেনো?
> অনেক আগেই কেনো তোমাদের মতো হলাম না?
> নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে কে চায় বলো?
> কত আপন, কত আদর মাখা, কত সোহাগ তোমাতে আমাতে মিশে আছে কিন্তু সে মধুর সোহাগের আচরণ বিদেশের আকাশে ঢাকা পড়ে গেছে।
> আমি যে রক্ত মাংসে গড়া একটা জীবন্ত পুতুল ভুলে গেছিলাম।
> সেই কালো আকাশের ভীড়ে তাল মাতাল হয়ে গেছিলাম বিদেশের রঙ্গমঞ্চে।
> কালো কালো চশমার আড়ালে মেকি অবয়বে হতবাক আমি।
> আমি বড়ই বেমানান তোমাদের স্বপ্নিল ভীড়ে।
> ক্ষতবিক্ষত হয়েছি বটে কিন্তু কত অজানা অচেনা ভালোবাসায় অভিভূতও হয়েছি।
> একটি একটি বুকের পাঁজর আমার মুক্ত আকাশে যারা ছিলো, তারা চিনেও না চেনার অন্তরালে ডুব সাঁতারে সুপ্ত।
> আমার হৃদয়ের কাগজে একদিন লিখেছিলাম যাঁদের নাম, তারা অহমিকার অট্টালিকায় গোপনে ভনিতার জালে।
> দুরালাপনেও তাঁদের কার্পণ্যতা ভরা মন, মনের টান তো অনেক দূরের কথা।
> অতীত মনকে বড় নাড়া দেয়।
> এই তো সেদিনও নিখাদ ভালোবাসায় একে অপরের বিপদের সাথী ছিলাম কিন্তু আর কি হবে কখনও এমনি মিলন মেলা?
> আশা নিরাশার বুকে আর হয়তো কেউ কাউকে প্রয়োজন নেই, নীলিমার মেঘের ভেলায় স্বপ্ন দেখা আর হবে না কখনও।
> তাইতো নিজেকেও গুটিয়ে নিলাম আমিও তোমাদেরি দলে








