ময়মনসিংহে সরঞ্জামাদিসহ জাল দলিল সৃজন চক্রের মূলহোতাকে গ্রেফতার
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ:ময়মনসিংহ জাল দলিল সৃজন চক্রের আলমগীর হোসেন (৩১) নামে এক সদস্য গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা ( ডিবি) পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে জেলার বিভিন্ন বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস সংশ্লিষ্ট অফিসের ২০ কর্মকর্তার ৬২টি সিল, খোলা রাবার সিল ৩৬টি, খোলা রাবার সিলের প্লাষ্টিক হোল্ডার ১৪টি এবং ৩টি প্যাড জব্দ করা হয়।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) তার নিজ বাড়ি থেকে আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আলমগীর হোসেন সদর উপজেলার চর ঈশ্বরদিয়া এলাকার আবুল মুনছুরের ছেলে।
সোমবার (১০ জানুয়ারি) বিকালে এক সংবাদ সম্মেলন বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) এম.এম. মোহাইমেনুর রশিদ। তিনি জানান- গ্রেফতারকৃত আসামী দীর্ঘদিন ধরে জাল দলিল ও নাম খারিজের দলিল সৃজন করে আসছেন।
গ্রেফতার করার সময় তার হেফাজতে থাকা ৮টি
সৃজনকৃত জাল দললি, বিভিন্ন উপজলো ও ইউনয়িনরে ভূমি সংশ্লষ্টি অফসিরে ২০ ধরনরে র্কমর্কতাদরে ৬২ টি সলি সহ বভিন্নি ধরনরে খোলা রাবার সলি ৩৬ টি, খোলা রাবার সলিরে প্লাষ্টকি হোল্ডার ১৪টি এবং ০৩টি প্যাড,০২ টাকা থেকে ১০০টাকা মূল্যরে অনুলিপির কমপক্ষে ১৭৫ পাতার ষ্ট্যাম্প- জাল দললি সৃজনরে কাজে ব্যবহৃত খসড়া কাগজ ১৫০ পাতাসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাধি উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তিনি আরো জানান-চক্রটির আরো অন্ততঃ ৪ জন সক্রিয় সদস্যের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে।
জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আলমগীর হোসেন নিজ বাড়িতে জাল দলিল ও নাম খারিজের দলিল সৃজন করে আসছেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার আলমগীর স্বীকার করেন যে, আসামী ও চক্রের সদস্যরা নতুন দলিল সৃজন, নতুন খতিয়ান, দাগ, নাম পরিবর্তন করে বিবাদ রয়েছে, এসব জমিতে যে মালিক না তাকেও জমির মালিক বানিয়ে দিতেন।
এছাড়া, নামজারির ক্ষেত্রে নতুন নাম সংযুক্ত করে জমি প্রাপ্য নয় তাদের নাম সংযুক্ত করে দিত এবং জমির অংশীদার বানিয়ে দিত। জমির প্রকৃত মালিকদের নাম বিলুপ্ত করে, জমির পরিমান কমিয়ে, অন্যদের নতুন করে নামজারি করে জমির অংশীদারী করে দিতেন।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন আরও বলেন, চক্রটির আরও অন্তত ৪ জন সদস্য সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা ও গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।








