ঢাকা | মার্চ ১১, ২০২৬ - ১১:০০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ফুলবাড়িয়াবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে আখালিয়া নদী খনন দেখতে এসেছি- ডিসি মুফিদুল আলম

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Thursday, May 22, 2025 - 4:54 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 85 বার

আরিফ রববানী ময়মনসিংহ:ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক (যুগ্মসচিব) মুফিদুল আলম বলেছেন-আমরা ময়মনসিংহ জেলা দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীগুলো দখলমুক্ত করে সেখানে সীমানা নির্ধারণী অবকাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। নদীর মূল সীমানার পর হাঁটার পথ নির্মাণ করে দিচ্ছি ও গাছ লাগিয়ে দিচ্ছি। এতে ভবিষ্যতে কারও পক্ষে ওই স্থানগুলো আবার দখল করা সম্ভব হবে না। তবে নদীগুলোর দুই পাশে সীমানাপ্রাচীর দেওয়া সম্ভব হবে না। কেননা, এতে নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। কারণ, আমাদের এখানে নদীগুলোর গতিপথ নানা সময়ে পরিবর্তন হয়। এ ছাড়া দেয়াল দিয়ে ঘিরে ফেললে ভূগর্ভস্থ পানির পূর্ণ ভরাটে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। ফলে আমরা সবকিছু বিবেচনা করেই নদী রক্ষার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।

বৃহস্পতিবার(২২ মে) দুপুরে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় আখালিয়া নদীর পুন: খনন কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুফিদুল আলম এ সব কথা বলেন। এর আগে তিনি আখালিয়া নদীর তীরে ১টি ফলজ ও ১টি ঔষধি গাছের চারা রোপন করেন।

জেলা প্রশাসক বলেন- ফুলবাড়ীয়া মানুষের দাবীর প্রেক্ষিতে মাননীয় বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় আমাকে অনুরোধ জানিয়েছেন সরেজমিনে দেখার জন্য, সে কারণেই ফুলবাড়ীয়ায় আসা। ফুলবাড়ীয়া পৌর শহরের ওয়াক ওয়ে নির্মাণে বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে ভবন। যদি এ ভবন সরানো না হয়, তাহলে এ ওয়াক ওয়ে এর সুফল মানুষ পাবে না। আমি ইউএনও’র কাছ থেকে জানলাম এভবনটার সিএস ও এসএ মালিক সরকার। সেক্ষেত্রে ভবনটা উচ্ছেদের একটা সুযোগ রয়েছে। আইনি পরিপালন সাপেক্ষে ভবনটা সরিয়ে ওয়াক ওয়ে নির্মাণ হলে এলাকার মানুষ উপকৃত হবে। পাশাপাশি নদীর মাটির স্তুপ দেখা যাচ্ছে অসমতল। কোথাও অতিমাত্রায় উঁচু আবার কোথাও নিচু। এটাকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে লেভেল করে দিলে নদীর সৌন্দর্য্যটা বৃদ্ধি পাবে পাশাপাশি মানুষের চলাচলের জন্যও সহজ হবে।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মুহা. কামরুল হাসান মিলন, উপজেলা আমির মাওলানা ফজলুল হক শামীম, পৌর বিএনপি সদস্য ও জেলা যুবদলের সহ সভাপতি মোঃ আজহারুল আলম রিপন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কবির হোসেন,জামায়াত নেতা অধ্যাপক মোবারক হোসেন মল্লিক,কৃষক দলের যুগ্ন আহবায়ক প্রভাষক রেজাউল করিম রাসেল, পৌর কৃষক দল সদস্য সচিব ফখর উদ্দিন মাসুম,সমাজ সেবক আবু রায়হান খোকা,বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতা অস্ত্ররু,যুবদলের আঃ আজিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।এর আগে জেলা প্রশাসক দশমাইল বাজারে একটি কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করেন এবং সেবা গ্রহিতাদের সাথে কথা বলেন।

এরপর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব), ইউপি সচিব, উপজেলায় কর্মরত অফিসারদের সাথে মত বিনিময় করেন। উপজেলা পরিষদ, উপজেলা নির্বাহি অফিসারের কার্যালয়, উপজেলা ভূমি অফিস, পৌরসভা অফিস পরিদর্শন করেন।