ঢাকা | মে ২, ২০২৬ - ৪:২৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

কমলগঞ্জে হীড বাংলাদেশের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Wednesday, June 4, 2025 - 3:59 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 77 বার

কমলগঞ্জ:পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এবং হীড বাংলাদেশ এর বাস্তবায়নে কৃষি ইউনিট (কৃষি খাত) এর আওতায় মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় আদমপুর ইউনিয়নের ঘোড়ামারা গ্রামে মালচিং পেপার ব্যবহার করে উচ্চমূল্যের ফসল মরিচ( বিজলী প্লাস ২০২০) চাষের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয় (৩ জুন) বিকেলে

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব জয়ন্ত কুমার রায় , কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সোহেল সিকদার কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি ইউনিট, হীড বাংলাদেশ। হীড বাংলাদেশ মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির আদমপুর শাখার ঘোড়ামারা গ্রামের পল্লবী, বিউটি , উজ্জ্বল ও পূবালী মহিলা সমিতির কৃষান ও কৃষানী ভাই ও বোনেরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অএ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। হীড বাংলাদেশ আদমপুর শাখার পল্লবী মহিলা সমিতির সদস্য শান্তনা সিনহা বলেন নতুন জাতের মিরচ চাষের কৃষি উপকরণ মালচিং পেপার , বীজ, জৈব সার, রাসায়নিক সার, বালাইনাশক ও আর্থিক অনুদান পেয়ে কাজ শুরু করি। তিনি বলেন হীড বাংলাদেশ কৃষি ইউনিটের কৃষি কর্মকর্তা সোহেল সিকদার এর পরামর্শ মোতাবেক মালচিং পেপার ব্যবহার করে উচ্চমূল্যের মরিচ চাষ করে এ বছর লাভবান হয়েছি।
এছাড়াও পূবালী সমিতির সদস্য মহিবুর রহমান বলেন আমি ও হীড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় মালচং পেপার ব্যবহার করে মরিচ চাষ করে ভাল ফলন পেয়েছি এবং এ জাতের ফসলের রোগবালাই ও কম।

তারা জানান অন্যান্য জাতের তুলনায় এর ফলন অনেক ভাল এবং রোগ বালাই ও অনেক কম। তাই আশে পাশের লোকজন এই জাতের মরিচ চাষ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং তিনি সকলকে এই জাতের মরিচ চাষে উদ্বুদ করেন।
এছাড়াও বলেন এই জাতের রোগবালাই ও পোকামাকড় আক্রমন কম তাই আমরা আগামীতে আরও বেশি পরিসরে এই জাতের মরিচ চাষ করব। সর্বশেষে তিনি কৃষি ইউনিট এর কৃষি কর্মকর্তাকে কারিগরি পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতার জন্য ও আর্থিকভাবে সহযোগিতার জন্য হীড বাংলাদেশ আদমপুর শাখার সকলকে ধন্যবাদ জানান

হীড বাংলাদেশ কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি ইউনিটের কৃষি কর্মকর্তা সোহেল সিকদার বলেন মালিচং পেপার ব্যবহারের সুবিধা হল আগাছা কম জন্মায় যার ফলে পোকামাকড় আক্রমন কম হয় ও শ্রমিক খরচ কম লাগে, অতিরিক্ত তাপমাত্রা থেকে ফসলকে রক্ষা করে ,মাটির আদ্রতা ধরে রাখে যার ফলে সেচ খরচ কম লাগে এবং ফসল দীর্ঘ সময় টিকে থাকে ফলে ফসলের উৎপাদন ও বৃদ্ধি পায়। তাই এই পদ্ধতিতে ফসল চাষাবাদ করলে খরচ কম লাগে এবং বেশি লাভবান হওয়া যায়।

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জনাব জয়ন্ত কুমার রায় বলেন আধুনিক প্রযুক্তি মালচিং পেপার ব্যবহার করে এখন সকল ফসল চাষ করা যায় এবং আর্থিক ভাবে ও বেশি লাভবান হওয়া যায়। তিনি আরও বলেন আগামীতে যেকোন ধরণের কৃষি সহযোগীতার প্রয়োজন হলে আমরা উনাদের সহযোগীতা করবো বলে আশ্বস্ত করেন।