ঢাকা | মার্চ ১০, ২০২৬ - ১২:১০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

যতক্ষণ নির্বাচন না হবে ততক্ষণ নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কা থেকেই যাবে -গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Thursday, September 4, 2025 - 2:58 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 202 বার

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা)প্রতিনিধি: বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, গর্ভবতী মা যতক্ষণ সন্তান প্রসব না করে ততক্ষণ সে প্রসব যন্ত্রণায় ভোগে। তেমনি নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আশঙ্কা থেকেই যাবে। আমাদের দেশ আমাদের গণতন্ত্র সবাইকে একসাথে ভাবতে হবে। আমিত্বের কারণে শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনা ধ্বংস হয়ে গেছে। ২৪ এর গনঅভ্যুত্থানে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে যারা অংশ গ্রহণ করেছে তাদেরকে আমরা সম্মান জানাই। তাদের

অধিকাংশই এখন লেখাপড়ায় ফিরে গেছে। বৈষম্য বিরোধী যোদ্ধাদের কারণে ফেব্রুয়ারিতে যদি নির্বাচন না হয় তাহলে সবচেয়ে বেশি খেসারত দিতে হবে তাদের। শেখ হাসিনা যদি কোন কারনে দেশে আসে তাহলে বৈষম্য বিরোধী যোদ্ধারা সবার আগে শেষ হবে পরে অন্যরা।

বৈষম্যদী বিরোধীদের নাম করে যদি অন্য কেউ এই দলে ঢুকে পড়ে তাহলে গণতন্ত্র রক্ষা হবে না। তিনি আজ বিকেলে বিএনপি’র ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপি’র উদ্যোগে আরামবাগিচা মহিলা ডিগ্রী কলেজ মাঠে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। তিনি আরো বলেন আমাদের দেশের মানুষ দল ব্যক্তি ও মার্কা দেখে ভোট দেয়। তারা পিআর পদ্ধতি বোঝেনা। যারা পিআর পদ্ধতির নাম করে নির্বাচন মন্ডল করার ষড়যন্ত্র করছেন তাদেরকে আন্দোলনের মাধ্যমে এই ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া হবে। নির্বাচন যথাসময়েই চাই। নির্বাচন

ফেব্রুয়ারিতেই হতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য যথেষ্ট নয়। তাদেরকে শক্তি দিতে হবে। আমরা যদি বৈষম্য দূর করতে না পারি তাহলে গণতন্ত্র রক্ষার নামে যারা জুলাই আন্দোলনে রক্ত দিয়েছে আহত হয়েছে নিহত হয়েছে তারা শান্তি পাবে না। গয়েশ্বর বলেন, ১৫ই আগস্ট শেখ মজিব সপরিবারে হত্যা হওয়ার পরে ৩২ নম্বরে কোন আওয়ামী লীগ নেতা তাকে দেখতে যায়নি। শুধু খন্দকার মোস্তাক সেখানে গিয়েছিলেন। মুস্তাকের সাথে সেদিন যারা শপথ নিয়েছিলেন তারা সবাই শেখ মুজিবের মন্ত্রী ছিলেন। আওয়ামী লীগের সাথে রাজাকার পরিবারের সাথে বেশি আত্মীয়তার বন্ধন রয়েছে। প্রধান বক্তা হিসাবে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমার রহমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের মা। তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটানো হয়েছে। তাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে খুনি শেখ হাসিনা।

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপি আন্দোলন করে শেখ হাসিনাকে ভারতে পালাতে সাহায্য করেছে। বাংলাদেশে এখনো অনেক আওয়ামী লীগের দোসর রয়ে গেছে। যারা ভারতে পালিয়েছে তারা সেখান থেকে দেশকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র করছে। শেখ হাসিনা মানুষের মৌলিক অধিকার গণতান্ত্রিক অধিকার ও জনগণের ভোটাধিকার ধ্বংস করেছিল। আমরা আর কোন ষড়যন্ত্র গণতন্ত্রকে নিয়ে ষড়যন্ত্র হতে দেব না। আওয়ামী লীগের আমলে এবিএম পদ্ধতিতে ভোট দিলে সেটি সেতো আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে। এখন কিছু রাজনৈতিক দল পিআর পদ্ধতি নিয়ে নির্বাচন বিভিন্ন দাবি দোয়া তুলছেন এবং নির্বাচনকে বিলম্বিত করছেন। কিন্তু আমরা পিআর পদ্ধতি চাই না।

এদেশের মানুষ গণতান্ত্রিক পন্থায় নির্বাচন চায়।ঢাকা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানের অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন,বিএনপি নেতা এডভোকেট সুলতান নাসের,কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু,ওমর শাহানেওয়াজ, ইশা খান, আরসাদ রহমান সফু,ইমান উল্লাহ মাস্তান প্রমূখ।