কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিলেন বিএনপি প্রার্থী নওশাদ জমির
স্নিগ্ধা খন্দকার, স্টাফ রিপোর্টারঃ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের পাঠানো কারণ দর্শানোর নোটিশের লিখিত জবাব দিয়েছেন পঞ্চগড়–১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ নওশাদ জমির।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রার্থীর পক্ষ থেকে তার নির্বাচনী এজেন্ট ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওফল আরশাদ জমির এ ব্যাখ্যা জমা দেন। পরে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগগুলো প্রার্থীর নজরে এসেছে। তবে অভিযোগের তথ্য বাস্তবতা ও প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিএনপি প্রার্থীর কোনো কর্মকাণ্ডে আইন, বিধি বা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা লঙ্ঘিত হয়নি বলেও দাবি করা হয়। বক্তব্যে বলা হয়, নওশাদ জমির সবসময় নির্বাচন কমিশনের বিধিবিধান মেনে প্রচারণা পরিচালনা করছেন এবং তার কোনো উদ্যোগই অসৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়নি।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, অভিযানের সময় কর্মীদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কোন বিধি কীভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে তা নোটিশে স্পষ্ট করা হয়নি। নোটিশে ফেস্টুন অপসারণের কথা উল্লেখ থাকলেও বিএনপি প্রার্থী প্রচারণায় কোনো ফেস্টুন ব্যবহার করেননি। যেগুলোকে ফেস্টুন বলা হয়েছে সেগুলো বাস্তবে ব্যানার। ফেস্টুন ও ব্যানারের পার্থক্য বোঝার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ভুল করেছে বলেও দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মো. সাহেব আলী নামে এক ব্যক্তি ২২ জানুয়ারি রাত ১০টা ১১ মিনিটে রিটার্নিং অফিসারের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপে এবং পরদিন সকাল সাড়ে ১১টায় স্বশরীরে ১০ দলীয় জোটের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি গৃহীত হলেও জোটপ্রার্থীর বিরুদ্ধে সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ওইদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ১০ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামীর জনসভা অনুষ্ঠিত হয় এবং রাত পর্যন্ত তোরণগুলো অক্ষত ছিল বলেও দাবি করা হয়।
সবশেষে লিখিত ব্যাখ্যা ও সংযুক্ত প্রমাণ বিবেচনায় এনে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, পৌর বিএনপির সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন রণিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা।








