তানোর পৌরসভার ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ধানের শীষের প্রার্থীর নির্বাচনী সভা
সোহানুল হক পারভেজ রাজশাহী বিভাগীয় প্রধান:আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী -১( তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব) শরীফ উদ্দীন তানোর পৌরসভার ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নির্বাচনী সভা করেছেন।
রোববার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তিনি সভা করেন। সকালের দিকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড মাসিন্দা গ্রামে সভার মাধ্যমে শুরু হয় পৌর এলাকায় নির্বাচনী সভা। সেখান থেকে ৮ নম্বর ওয়ার্ড রায়তান বাজে আকচা, ৭ ওয়ার্ডের বুরুজ গ্রামে, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে জিওল মোড়ে, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আমশো গ্রামে, তানোর গ্রামে, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কুঠিপাড়া গ্রামে, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চাপড়া গ্রামে, সন্ধ্যার পর ২ নম্বর ওয়ার্ড গোকুল, বেলপুকুরিয়া, ১ নম্বর ওয়ার্ড তালন্দ ও হরিদেবপুর গ্রামে নির্বাচনী সভা করবেন ভোটারদের উদ্দেশ্যে প্রার্থী বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সকাল সকালে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। কারন ধানের শীষ মানেই উন্নয়ন, ধানের শীষ মানেই দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন, ধানের শীষ মানেই বহুদলীয় গণতন্ত্র। ধানের শীষে ভোট দিন উন্নয়ন বুঝে নিন। অনেকে নানা প্রলোভন দিবে, কিন্তু তাদের প্রলোভনে নিজেদের কে বিলিয়ে দেয়া যাবেনা। আপনারা অতীতে দেখেছেন বিএনপি সরকারে থাকা অবস্থায় কিভাবে দেশের উন্নয়ন হয়েছে ।
এবারে বিএনপির স্লোগান দলমত, ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সবার আগে বাংলাদেশ।তবে আমার ব্যক্তিগত মনোভাব সবার আগে বরেন্দ্র অঞ্চল। কারন এই বরেন্দ্র অঞ্চল এক সময় মারাত্মক অবহেলিত ছিল। সেই অবহেলিত জনপদকে আমার ভাই প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক কিভাবে উন্নয়ন করেছেন সেটা আপনারা অবগত। প্রতিটি সেক্টরে আমার ভাই উন্নয়ন করে আপনাদের মনে জায়গা করে নিয়েছিল। যার কারনে ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত টানা এমপি ও মন্ত্রী ছিলেন। বারবার আপনারা তাঁকে নির্বাচিত করেছিলেন। আমার আরেক ভাই বরেন্দ্র অঞ্চল কৃষি তে বিপ্লব ঘটিয়েছেন।
তিনি ছিলেন বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক।দায়িত্ব নিয়ে এক ফসলী জমিতে তিন ফসলী চাষাবাদ করার ব্যবস্থা করেছিলেন। গভীর নলকূপের মাধ্যমে খাবার পানির ব্যবস্থা করেছেন। যার সুফল পাচ্ছে বরেন্দ্র অঞ্চলের জনসাধারণ। বরেন্দ্র অঞ্চলে পানির লেয়ার হুমকিতে থাকার কারনে প্রয়াত ড আসাদুজ্জামান গত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পুনরায় বিএমডিএর চেয়ারম্যান হয়ে পদ্মা নদী থেকে পানি আনার প্রকল্প গ্রহন করেছেন। কিন্তু মহান আল্লাহ তায়ালার ডাকে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন। তার মহৎ এই প্রকল্প তিনি বাস্তবায়ন দেখে যেতে পারলনা। আপনাদের ভোটে আমি বিজয়ী হলে আমার দু ভায়ের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করব ইনশাআল্লাহ। এজন্য ধানের শীষে ভোট দিতে হবে।বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শ্রী বিশ্বনাথ সরকার,
জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নুরুল ইসলাম, সাবেক সম্পাদক সাবেক চান্দুড়িয়া ইউপির চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন, পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা, সাবেক সভাপতি আরশাদ আলী, ওমর আলী, সদস্য সচিব আব্দুস সবুর, সাবেক ছাত্র দলের সভাপতি আব্দুল মালেক মন্ডল, জেলা ড্যাব নেতা ডা:মিজানুর রহমান, মহিলা দলের সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর পলি বেগম।
এসময় উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক এমদাদ মন্ডল, সাবেক কাউন্সিলর আবু সাঈদ বাবু, আব্দুল মান্নান, মনজুর রহমান সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা, সাবেক ছাত্র নেতা আব্দুস সালাম, শরিয়তুল্লাহ, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহবুর মোল্লা, বিএনপি নেতা ওবাইদুর রহমান, পৌর যুবদলের আহবায়ক সাইদুর রহমান, যুগ্ন আহবায়ক নুর হাসান মাহমুদ রাজা,
কৃষক দলের পৌর আহবায়ক সাবেক কাউন্সিলর মশিউর রহমান মুর্শেদ, সাবেক আহবায়ক আনারুল, সদস্য সচিব আফজাল হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা, কুরবূন আলী, সাবেক কাউন্সিলর সাইদুর রহমান, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা শমসের আলী, সেকান্দার আলী, রুস্তম আলী, মুনসুর রহমান, বাসারত, গোলাম মোস্তফা প্রমুখ। প্রতিটি সভায় দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটারের সাথে সাথে মহিলা ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল।








