তামাকজাত পণ্যাের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন ও খাদ্যে ভেজালের দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
স্টাফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহ শহরে তামাক ও ভেজালবিরোধী বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। এ সময় খাদ্যে ভেজাল,
দোকানে তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন এবং মেয়াদবিহীন বেকারি খাদ্য বিক্রির অপরাধে জরিমানা ও অনাদায়ে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত নগরীর বদরের মোড় এবং সেহড়া মুন্সিবাড়ী রোড ও ডি বি রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন খাদ্য বিক্রয় প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৩৭ ধারায় জরিমানা করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী।
বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জনাব মাহবুব আলম শরীফ বলেন, শিশু খাদ্যে ক্ষতিকর রঙ মিশিয়ে আকর্ষণীয় ডিজাইন তৈরি করে বাজারজাত করা,মুদির/ কনফেকশনারি দোকানে তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন এবং মেয়াদবিহীন বেকারি খাদ্য বিক্রির অভিযোগে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান- বদরের মোড় এলাকায় অবস্থিত একটি মনোহরী দোকানে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন পওয়া গেলে তা জব্দ করে ধ্বংস করা হয় এবং ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য (নিয়ন্ত্রণ)(সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৫ ধারায় ৩০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়। পরবর্তীতে ডিবি রোডে অবস্থিত বিউটি সুইটমিট এন্ড বেকারী কর্তৃপক্ষ তাদের পণ্যে সঠিকভাবে মোড়ক বিধিমালা না মানায় তাদেরকে সতর্কতামূলক ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩১ ধারায় যথাক্রমে ২,০০০/- টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি বেকারীটিকে GMP ও GHP কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
জানা গেছে, নগরীর সেহড়া ডি বি রোডের বিউটি সুইট মিট এন্ড বেকারিতে বেকারি খাদ্যের প্যাকেটের গায়ে মেয়াদ উল্লেখ না থাকায় ও দোকানে তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন এবং মেয়াদবিহীন বেকারি খাদ্য বিক্রির অপরাধে দুই ব্যবসায়ীকে একজনকে ২ হাজার ও আরেকজনকে ৩হাজার মোট ৫হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এছাড়া শহরের বিভিন্ন দোকানে খাদ্যে ক্ষতিকর রঙ মিশিয়ে আকর্ষণীয় ডিজাইন তৈরি করে বাজারজাত করা,মুদির/ কনফেকশনারি দোকানে তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন ও ভেজাল খাদ্য জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। নামবিহীন আরও কয়েকটি দোকান থেকেও একই ধরনের খাদ্যদ্রব্য জব্দ করে তা ধ্বংস করা হয়।
মোবাইলকোর্ট চলাকালীন সময়ে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর, মোঃ মাহবুব হোসেন।
পেশকার হিসেবে নাহিদুর রহমান, নাটাবের প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম। কোতোয়ালী মডেল থানার পুলিশ প্রশাসনের সদস্যবৃন্দ মোবাইলকোর্টকে সহযোগিতা করেন।
এছাড়া শহরের বিভিন্ন দোকানে খাদ্যে ক্ষতিকর রঙ মিশিয়ে আকর্ষণীয় ডিজাইন তৈরি করে বাজারজাত করা রোধে কঠোর নির্দেশনা প্রদান এবং মুদির/ কনফেকশনারি দোকানে তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। নামবিহীন আরও কয়েকটি দোকান থেকেও একই ধরনের খাদ্যদ্রব্য জব্দ করেন স্যানিটারী ইন্সপেক্টর।








