ঢাকা | জুলাই ১০, ২০২৬ - ১২:১২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়ের ফুটপাত যেন ময়লার ভাগাড়, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Thursday, July 9, 2026 - 1:28 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 20 বার

ফরিদপুর : ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ফরিদপুরের ভাঙ্গা অংশে ফুটপাত ও সার্ভিস লেন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পথচারীদের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফুটপাতজুড়ে ময়লার স্তূপ ও ঘন ঝোপঝাড় জন্মানোয় সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে মূল মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করছেন। এতে একদিকে যেমন তীব্র যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে পচা ময়লার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা গেছে, দৃষ্টিনন্দন এই এক্সপ্রেসওয়ে চালু হওয়ার পর থেকে ভাঙ্গার মালি গ্রামসহ আশপাশের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় ফুটপাত পরিষ্কার বা রক্ষণাবেক্ষণে কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে ময়লা জমে থাকা এবং ঘাস ও লতাপাতা গজানোর ফলে ফুটপাত চেনার উপায় নেই। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দ্রুতগতির এক্সপ্রেসওয়ের মূল লেনের পাশ দিয়েই হাঁটতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

মালি গ্রামের বাসিন্দা ও ভ্যানচালক মনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধনের পর থেকে এই পাশের রাস্তা কেউ কোনো দিন পরিষ্কার করেনি। ঝোপঝাড়ে পুরো ফুটপাত ভরে গেছে, হাঁটার একটুও জায়গা নেই। বাধ্য হয়ে আমাদের মূল রাস্তার ওপর দিয়ে যেতে হয়। এতে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।”

একই এলাকার অটোরিকশা চালক কামাল জানান, ফুটপাত পরিষ্কার থাকলে পথচারীরা নিরাপদে চলাচল করতে পারতেন এবং চালকেরাও স্বস্তিতে গাড়ি চালাতে পারতেন। এখন সবসময় দুর্ঘটনার আতঙ্কে থাকতে হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই মহাসড়ক থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ টোল আদায় করা হলেও জননিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি চরমভাবে উপেক্ষিত। বিশেষ করে মালি গ্রাম এলাকায় ফুটপাতের বেহাল দশা সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে।

যোগাযোগ করা হলে ফরিদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিন্টু দেব বলেন, “এই এক্সপ্রেসওয়েটি দেখভালের সার্বিক দায়িত্ব মুন্সিগঞ্জ সড়ক বিভাগের। এটি আমাদের ফরিদপুর সওজ-এর আওতাধীন এলাকা নয়।”

তবে পথচারী ও স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।