ঢাকা | আগস্ট ১৮, ২০২৬ - ৩:০০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

সখীপুর উপজেলার বহেড়াতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রান্সফার (অপসারণ)

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Monday, August 17, 2026 - 11:35 am
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 24 বার

রঞ্জু আহমেদ,  স্টাফ রিপোর্টার: টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে (ডিএফও) ফোন করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সখীপুর উপজেলার বহেড়াতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলীকে ট্রান্সফার (অপসারণ) করতে বলেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। আজ রোববার দুপুরে উপজেলার হলুদিয়া চালা বাজারে গিয়ে জনসম্মুখে মোবাইল ফোনের লাউড স্পিকারে তিনি ডিএফও নাজমুল আলমকে এ কথা বলেন।

এর আগে উপস্থিত জনতাকে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি বন বিভাগকে দালালমুক্ত করব। বন বিভাগের যেসব কর্মকর্তা ঘুষ খাবে এবং ঘুষ না পেলেই মানুষের নামে মামলা করবে, তাদেরকে দেখব।’ ক্ষুব্ধ হয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ওরে (রেঞ্জ কর্মকর্তা) সবার আগে মামলায় ঝোলাব ঘুষখোর।’

স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে লাউড স্পিকারে ডিএফওকে মন্ত্রী বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকা টাঙ্গাইলের সখীপুরের হলুদিয়া চালায় একটি টিনের দোকান ছিল। এখানে আপনার রেঞ্জার এমরান দালালদের সমন্বয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে টাকা নিয়ে একটি ঘর দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল। হয়তো তারা এখানে আগের চেয়ে একটু বড় করে ঘর দিয়েছিল। সেখানে আপনার রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান টাকা বেশি পায় নাই অথবা নিজের গা বাঁচাতে গরিব মানুষের সেই ঘর ভেঙে দিয়েছে। কাজেই, সবার আগে আপনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই এমরানকে এখান থেকে ট্রান্সফার করবেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করবেন, এটা আপনার কাছে আমার অনুরোধ রইল।’

এ সময় আহমেদ আযম খান আরও বলেন, ‘আমি যত দিন এমপি (সংসদ সদস্য) আছি, আমার এলাকার মানুষকে আমি হয়রানি করতে দেব না। আমি এই আটিয়া বন আইনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন আন্দোলন করেছি। এলাকার মানুষ আশায় বুক বেঁধে আমাকে ভোট দিয়েছে। অতএব, কাউকে আমি হয়রানির শিকার হতে দেব না।’

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আরও বলেন, ‘টাকা দিলে ঘর দিতে দেয়, বিল্ডিংও দিতে দেয়। টাকা না দিলে সঙ্গে সঙ্গে মামলা দিয়ে দেয়। আপনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই কর্মকর্তাকে এখান থেকে তুলে নেবেন এবং একজন ভালো মানুষকে এখানে দায়িত্ব দেবেন।’