ফাউচির সাবেক উপদেষ্টার করোনা-সংক্রান্ত সরকারি নথি গোপনের মামলায় দোষ স্বীকার
মো. নাসির, নিউ জার্সি (যুক্তরাষ্ট্র) প্রতিনিধি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ড. অ্যান্থনি ফাউচির সাবেক সিনিয়র উপদেষ্টা ড. ডেভিড মরেন্স কোভিড-১৯ মহামারির সময় সরকারি নথি গোপন ও সরকারি কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ফেডারেল মামলায় দোষ স্বীকার করেছেন।
৭৮ বছর বয়সী মরেন্স ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (NIAID)-এর সাবেক কর্মকর্তা। আদালতে তিনি স্বীকার করেন, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত অন্যদের সঙ্গে মিলে সরকারি রেকর্ড প্রকাশের আইন এড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, মরেন্স সরকারি কাজের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের জন্য ব্যক্তিগত Gmail অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতেন, যাতে এসব যোগাযোগ Freedom of Information Act (FOIA)-এর আওতায় সহজে প্রকাশ না পায়। কোভিড-১৯–এর উৎস ও বাদুড়ের করোনাভাইরাস গবেষণার জন্য একটি বিতর্কিত সরকারি অনুদান নিয়ে যোগাযোগও এসব নথির মধ্যে ছিল।
মরেন্সের বিরুদ্ধে সরকারি নথি গোপন বা ধ্বংস করার পাশাপাশি একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে সরকারি অর্থায়ন পেতে সহায়তা করার অভিযোগও রয়েছে। মামলার নথিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নাম সরাসরি উল্লেখ করা না হলেও বর্ণনাটি EcoHealth Alliance-এর সাবেক প্রধান পিটার দাসজাকের সঙ্গে মিলে যায়। তবে দাসজাককে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়নি।
দোষ স্বীকারের পর মরেন্সের আইনজীবী টিম বেলেভেটজ বলেন, তাঁর মক্কেল নিজের কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবেন।
এই অপরাধে মরেন্সের সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। আগামী ১২ নভেম্বর মেরিল্যান্ডের গ্রিনবেল্টে তার সাজা ঘোষণা করার কথা রয়েছে।
এদিকে, এই মামলায় ড. অ্যান্থনি ফাউচিকে অভিযুক্ত করা হয়নি। তবে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় তাঁর ভূমিকা ও গবেষণা অর্থায়ন নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে আলাদা তদন্ত চলছে।








