ঢাকা | আগস্ট ২৬, ২০২৬ - ১২:২৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিকল্প নেই -ইউএনও, এটিএম কামরুল ইসলাম

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Tuesday, August 25, 2026 - 5:23 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 7 বার

মোঃ মুক্তাদির হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার:
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম বলেন, গাছ আমাদের পরিবেশের অন্যতম প্রধান রক্ষাকবচ। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিকল্প নেই। শুধু চারা বিতরণ নয়, বিতরণ করা চারাগুলো সঠিকভাবে রোপণ ও পরিচর্যার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। গাজীপুরের কালীগঞ্জ

উপজেলার জাঙ্গালীয়া ইউনিয়নে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম এসব বলেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগষ্ট) সকালে উপজেলার জাঙ্গালীয়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে জাঙ্গালীয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন আকাশ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম কামরুল ইসলাম। বিশেষ

অতিথি জাঙ্গালীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. নেছার উদ্দিন নুহু, উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. ফজলুর রহমান আকন্দ, জাঙ্গালীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি এডভোকেট গাজী শাহ্ মোহতাসেম আজমল সোহেল, জাঙ্গালীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, গাজীপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াছিন মোল্লা।

জাঙ্গালীয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন আকাশ জাঙ্গালীয়া ইউনিয়নের প্রতিটি পরিবারকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে রাস্তার পাশে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ির আঙিনায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ইউনিয়নকে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার আহবান জানান।

পরিশেষে জাঙ্গালীয়া ইউনিয়নের প্রতিটি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের গাছের চারা বিতরণ করা হয়। চারা পেয়ে তারা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং চারাগুলো যতœসহকারে রোপণ ও পরিচর্যার আশ্বাস দেন।

এ সময় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, স্থাণীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং নারী-পুরুষসহ স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।