সখিপুরে আকস্মিক বন পরিদর্শনে পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী, একাধিক বিটের কর্মদক্ষতায় অসন্তোষ
শরিফুল ইসলাম বাবুল, সখিপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম (এমপি) টাঙ্গাইলের সখিপুরের বিভিন্ন এলাকার বন আকস্মিক পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শনে করেন।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে প্রতিমন্ত্রী এ পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় প্রশাসন ও বন কর্মকর্তা, উপজেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
বন পরিদর্শনকালে সখিপুরের পাহাড়ি এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা ও দুর্ভোগের বিষয় প্রতিমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও ভুক্তভোগীরা।
বিশেষ করে আটিয়া বন অধ্যাদেশ নিয়ে পাহাড়ি এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কথা তুলে ধরে এর একটি যৌক্তিক ও মানবিক সমাধানের দাবি জানান সখিপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সিকদার মুহাম্মাদ সবুর রেজা।
উপস্থিত সকলেই প্রতিমন্ত্রীর কাছে সখিপুরের মানুষের বন ও বন বিভাগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা ও দুর্ভোগের বিষয় বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রতিমন্ত্রীর এ উদ্যোগের মাধ্যমে সখিপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং স্থায়ী সমাধানের পথ উন্মোচিত হবে।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিমন্ত্রীর কাছে আটিয়া বন আইন বাতিল এবং বন বিভাগের হয়রানি বন্ধের দাবি জানান। তারা বলেন, বন আইনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দাদের নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এছাড়াও বন বিভাগের প্লট বরাদ্দেও রয়েছে নয় ছয়। যা স্থানীয়দের কাম্য নয়। ফলে বনের প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জনগণের সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
সেই সাথে সখিপুর উপজেলার একাধিক বিট অফিসের নাম উল্লেখ করেই তাদের কর্ম দক্ষতার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বন বিভাগের প্লট বরাদ্দ ও উপকার ভোগীদের তালিকার রি-চেকের নির্দেশনা দিয়েছেন। বন আইন বিবেচনায় সঠিক উপকারভোগীরা যাতে বঞ্চিত না হয় সে বিষয়েও নির্দেশনা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।








