ঢাকা | অক্টোবর ২৫, ২০২৬ - ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

ইলহান ওমরের বাড়িতে এফবিআই নয়, ফেডারেল তদন্তকারী সংস্থার অভিযান

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Saturday, October 24, 2026 - 5:52 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 20 বার
প্রতিবেদক: এমডি নাসির, নিউ জার্সি (যুক্তরাষ্ট্র)-যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমরকে ঘিরে অভিবাসনসংক্রান্ত তদন্ত আরও বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর ওয়াশিংটন ডিসির বাসভবনে গত ১২ অক্টোবর ২০২৬ ফেডারেল তদন্তকারীরা তল্লাশি চালান। তদন্তের আওতায় তাঁর পুরোনো অভিবাসন নথি, নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া এবং পরিবারের কয়েকজন সদস্যের বিষয়ও রয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

কী নিয়ে তদন্ত চলছে?

নিউজ নেশন ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তকারীরা ১৯৯০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী হিসেবে আসার সময় এবং পরবর্তী সময়ে নাগরিকত্ব লাভের প্রক্রিয়ায় কোনো ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, তদন্তটি কয়েক মাস আগে থেকেই চলছিল। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে অভিবাসন কর্মকর্তারা ইলহান ওমরকে নিয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি রক্ষণশীল রাজনৈতিক ব্লগের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্কট জনসনের সঙ্গে কথা বলেন বলে তিনি নিউজ নেশনকে জানিয়েছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, আদালতের অনুমোদিত তল্লাশি পরোয়ানায় ষড়যন্ত্র, অভিবাসনসংক্রান্ত নথিতে মিথ্যা তথ্য প্রদান এবং অভিবাসন জালিয়াতির সম্ভাব্য অভিযোগের কথা উল্লেখ ছিল। তবে এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত অপরাধ নয়।

ইলহান ওমরের প্রতিক্রিয়া

ইলহান ওমর তদন্ত ও তল্লাশির ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে লক্ষ্যবস্তু করছে।

তাঁর কার্যালয়ও জানিয়েছে, কংগ্রেসওম্যান কোনো অন্যায় করেননি। অন্যদিকে, বিচার বিভাগ জানিয়েছে, আদালতের অনুমোদিত তল্লাশি পরোয়ানার ভিত্তিতে চলমান ফেডারেল ফৌজদারি তদন্তের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

নাগরিকত্ব বাতিল হতে পারে কি?

তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে নাগরিকত্ব বাতিলের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে এ তদন্তে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত তথ্য নেই। নাগরিকত্ব বাতিল বা বহিষ্কারের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও ঘোষিত হয়নি।

ইলহান ওমর ১৯৯৫ সালে সোমালিয়া থেকে শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং ২০০০ সালে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করেন। ২০১৮ সালে তিনি কংগ্রেসে নির্বাচিত হন। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি এবং প্রশাসনের পদক্ষেপ এখন রাজনৈতিক ও আইনগত আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।