ঢাকা | অক্টোবর ২৫, ২০২৬ - ১:০১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

৮০ বছরের জরিপের রেকর্ড ভাঙার পথে ট্রাম্প, জনসমর্থনে বড় ধরনের পতন

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Saturday, October 24, 2026 - 6:01 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 21 বার
প্রতিবেদক: এমডি নাসির, নিউ জার্সি (যুক্তরাষ্ট্র) ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনসমর্থন সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৬ সালের ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে প্রকাশিত জরিপগুলোতে তাঁর কর্মদক্ষতা নিয়ে অসন্তোষের চিত্র উঠে এসেছে। নিউ জার্সির সংবাদমাধ্যম NJ.com-এর প্রতিবেদনের শিরোনামেও ৮০ বছরের জরিপ-ইতিহাসে একটি রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছানোর বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

রয়টার্স/ইপসোসের ১৯ অক্টোবর প্রকাশিত জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজের প্রতি সমর্থন ছিল মাত্র ৩১ শতাংশ, যা তাঁর দুই মেয়াদের মধ্যে সর্বনিম্ন। জরিপে অংশ নেওয়া নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের এবং ৩৫ শতাংশ রিপাবলিকানদের সমর্থন করার কথা জানিয়েছেন। তবে এই ফলাফল জাতীয় পর্যায়ের জনমত তুলে ধরে; কংগ্রেসের আসনভিত্তিক নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করে না।

অন্যদিকে, ১৯ অক্টোবর প্রকাশিত ABC News/Washington Post/Ipsos জরিপে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন ছিল ৩৩ শতাংশ এবং অসমর্থন ছিল ৬৬ শতাংশ। একই জরিপে সম্ভাব্য ভোটারদের মধ্যে প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের সমর্থনের কথা বলেছেন ৫২ শতাংশ, আর রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে ছিলেন ৪৪ শতাংশ।

জনমত জরিপে অসন্তোষের পেছনে অর্থনীতি, জ্বালানির দাম এবং জীবনযাত্রার ব্যয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। অনেক মার্কিন নাগরিক মনে করছেন, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তাঁদের প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নত হয়নি। এসব বিষয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ভোটারদের মনোভাবকে প্রভাবিত করতে পারে।

তবে বিভিন্ন জরিপের নমুনা, প্রশ্নের ধরন ও পরিচালনাপদ্ধতি এক নয়। তাই একটি জরিপের ফলকে পুরো মার্কিন জনগণের চূড়ান্ত মতামত হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের ফল ট্রাম্প প্রশাসনের বাকি মেয়াদে আইন প্রণয়ন ও নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

সব মিলিয়ে, সাম্প্রতিক জরিপগুলো ট্রাম্পের জনসমর্থন নিয়ে চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে নির্বাচনে এর প্রকৃত প্রভাব কতটা পড়বে, তা জানতে ভোটের ফল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।