নিউইয়র্ক পোস্টের কলামিস্ট মিরান্ডা ডিভাইনের (Miranda Devine) ‘Pod Force One’ পডকাস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ডেমোক্র্যাটরা তাঁর কাছে কোনো বিল পাঠালে তিনি সেগুলোতে ভেটো দিতে পারেন। এভাবে একের পর এক বিল আটকে গেলে একসময় ডেমোক্র্যাটরা আলোচনায় বসতে এবং সমঝোতায় আসতে বাধ্য হতে পারেন বলে তাঁর ধারণা।
ট্রাম্প বলেন, এক বা দুই মাস ধরে বিভিন্ন প্রস্তাবে ভেটো দেওয়ার পর ডেমোক্র্যাটরা বুঝতে পারবেন যে এভাবে অচলাবস্থা চলতে পারে না। তখন উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার পথ তৈরি হতে পারে। তবে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে চান না বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে, ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিলে শুধু আইন প্রণয়নেই নয়, প্রেসিডেন্টের প্রশাসনিক কার্যক্রমেও নানা ধরনের বাধা সৃষ্টি করতে পারবেন। বিশেষ করে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পেলে বিচারক ও প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রেসিডেন্টের মনোনয়ন আটকে দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
অন্যদিকে, রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেমোক্র্যাটদের সম্ভাব্য বিজয়ের কথা মাথায় রেখে ট্রাম্প প্রশাসন নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করে অভিবাসননীতি, শুল্ক, আবাসন ব্যয় এবং সরকারি ব্যয়সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি কংগ্রেসের সম্ভাব্য তদন্ত মোকাবিলার প্রস্তুতিও চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট কোনো বিলে ভেটো দিলে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন নিয়ে সেই ভেটো অতিক্রম করা সম্ভব।
আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়েছে। নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যাবে, তা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আগামী দুই বছরের শাসনব্যবস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পার