ঢাকা | সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ - ৮:৪৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

একোয়ার-টেন্ডারবিহীন ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে বল প্রয়োগে রাস্তা নির্মাণ অভিযোগ চসিকের বিরুদ্ধে

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Sunday, September 13, 2026 - 1:07 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 7 বার

বিশেষ প্রতিনিধি: বন্দর নগরী চট্টগ্রাম এর বিপুল জনসংখ্যার আবাসস্থল হচ্ছে চট্টগ্রাম বাকলিয়া এক্সেস রোডসংলগ্ন বলাকা আবাসিকএলাকা। এই এলাকায়-আর এস ৯০ নং খতিয়ান ভূক্ত আরএসদাগ”৩৩৫৬/৩৩৫৭ ও তৎ বি, এস নামজারী ১৬৪৩৮,২৬-৫০২৭ ও ২৬-৫২২৯ নং খতিয়ান ভূক্ত বি, এস দাগ১৭২৩৮ এর খরিদা সূত্রে ভূমির মালিক হচ্ছেন জনাব মোঃ আইয়ুব। ভূমি রেস্ট্রির সরকারি বিধি মোতাবেক সমস্ত আইনানুগ ট্যাক্স প্রদান করে—–বিগত ০৮/০৯/২০২০ইং তারিখের২৬১৮ নং দলিল, ২৮/১২/২০২৫ ইংতারিখের ৬৮০০ ও

১৪/০১/২০২৬ ইং তারিখের ২৩৮ নং কবলা মূলে বি এস ১৭২৩৮ নং দাগের সম্পত্তিতে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছেন তিনি। উল্লেখ্য যে,এই সম্পত্তির আশেপাশের প্রতিটি ঘরের জন্য চলাচলের আলাদা ডাবল পথ রয়েছে। ঐ চলাচলের পথ থাকার পরেও চসিক হতে তার ভাড়া ঘর ভেঙ্গে বাউন্ডারির ভিতরে নিজস্ব ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়াগার মধ্যে সুনির্দিষ্ট একোয়ারবিহীন, নোটিশ বিহীন, টেন্ডার বিহীন, সরকারি বাজেটবিহীন, আর এস / বি, এস সীটের রোড ম্যাপ বিহীন শুধুমাত্র সিটি কর্পোরেশনের সুপারভাইজার কামাল উদ্দীন কার স্বার্থ রক্ষায় ব্যক্তিগত সম্পত্তির উপরে চলাচলের রাস্তা নির্মাণের জন্য এত উঠে পরে লেগেছেন,তা ভূমিরমালিক সহ স্থানীয় সাধারণ মানুষের বোধগম্য নয় বলে সাংবাদিকদের

জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সহ উপস্থিত লোকজন। এছাড়াও ভূমির মালিক মোঃ আইয়ূব এর স্ত্রী বলেন এখানে তাদের ভূমি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাবার জন্য বিরাট অংকের অবৈধ ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন সুপার ভাইজার মোঃ কামাল উদ্দীন গং। তাদের একাধিকবার মৌখিক হুমকিও প্রদান করেছেন ইতিপূর্বে। এই সব অবৈধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ভূমির মালিক মোঃ আইয়ূব মাননীয় আদালতে মামলা দায়ের করে নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন। তবুও কিভাবে আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে চসিক ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা টেন্ডারবিহীন, একোয়ার বিহীন, নকশাবিহীন, বাজেট বিহীন ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গার উপরে সিটি করপোরেশনের ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে চসিক স্ট্রাইকিং ফোর্স,

চকবাজার থানার পুলিশ সহ চসিক উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা আছে মর্মে অন্যের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে অভিযান চালিয়ে বল প্রয়োগে তার ভাড়াঘর ভেঙ্গে রাস্তা নির্মাণ করার চেষ্টা কেন চালিয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত রাস্তা নির্মানের অপচেষ্টায় লিপ্ত আছেন এমন প্রশ্ন রেখে গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়, ভূমি মন্ত্রনালয়, স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয়, চসিক মেয়র, চট্টগ্রাম এর বিভাগীয় কমিশনার,

জেলাপ্রশাসক ও পুলিশ কমিশনার সহ পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন ভূমির প্রকৃত মালিক যদি এভাবে হেনস্থার শিকার হন তবে আগামীতে প্রত্যেক সাধারণ জনগণের জন্য এটা কখনো শুভ সংকেত বহণ করে না। সাংবাদিকরা চসিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে ভূমি অধিগ্ৰহন, টেন্ডার ও বাজেট বরাদ্ধের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি হেড অফিসে যোগাযোগ করতে বলেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনৈক স্থানীয় বিএনপি নেতা বলেন মাননীয় মেয়র

মহোদয়ের অনুপস্থিতিতে এমন কর্মকান্ড সিটি করপোরেশন ও মেয়র মহোদয়ের ভাব মূর্তি ক্ষুন্নের আরেকটা ষড়যন্ত্রের ও নীল নকশার ফাঁদ বলেই মনে হচ্ছে আমার কাছে। এই বগারবিল এলাকায় একাধিক নীরিহ মানুষের শেষ সম্বলটুকু এখন ভূমি দস্যুদের টার্গেট এ পরিণত হয়েছে। কাজেই সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের উচিত অতি গুরুত্ব সহকারে তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জিরোটলারেন্স নীতিকে বাস্তবায়ন করা।