প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২ সেপ্টেম্বর নর্থ ব্রান্সউইকে রুট ১৩০ এলাকায় ICE কর্মকর্তারা একটি Acura গাড়ির চালককে আটকানোর চেষ্টা করেন। ICE-এর দাবি, চালক কর্মকর্তাদের নির্দেশ মেনে গাড়ি থেকে নামতে অস্বীকৃতি জানান। পরে কর্মকর্তারা তাকে গাড়ি থেকে বের করার চেষ্টা করলে তিনি দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন এবং একটি লাল বাতি অমান্য করে অন্য একটি গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান।
দুর্ঘটনায় Tesla গাড়ি চালাচ্ছিলেন ডা. পেনেলোপ কোহেন। তিনি পায়ে আঘাত পান এবং চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। অন্যদিকে, Acura-এর চালক ঘটনাস্থল থেকে পায়ে হেঁটে পালানোর চেষ্টা করলেও পরে ICE কর্মকর্তারা তাকে আটক করেন। তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা নিউ জার্সির গভর্নর মিকি শেরিলের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করেছেন। রিপাবলিকান অ্যাসেম্বলি সদস্য পল কানিত্রা অভিযোগ করেন, রাজ্যের তথাকথিত ‘sanctuary’ নীতির কারণে ফেডারেল অভিবাসন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা সীমিত হচ্ছে এবং এতে জননিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
স্টেট সিনেটর মাইক টেস্টাও একই ধরনের সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ICE-এর সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
তবে নিউ জার্সির Immigrant Trust Directive পুরোপুরি স্থানীয় পুলিশকে ফেডারেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা করা থেকে নিষিদ্ধ করে না। নীতিটি মূলত শুধু অভিবাসন-স্থিতির ভিত্তিতে কাউকে থামানো, জিজ্ঞাসাবাদ, গ্রেপ্তার বা আটক করার ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। গুরুতর অপরাধ, বৈধ আদালতের আদেশ এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে।
এই ঘটনার পর নিউ জার্সিতে অভিবাসন আইন, ICE-এর কার্যক্রম এবং স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘটনাটি একই সঙ্গে অভিবাসন আইন প্রয়োগ এবং জননিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে রাখা হবে—সে প্রশ্নও সামনে এনেছে।
