তানোরে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, নিরাপত্তা চাইলেন বকুল আলী
সোহানুল হক পারভেজ রাজশাহী ব্যুরো প্রধান: রাজশাহীর তানোর উপজেলার চাঁপড়া গ্রামের বাসিন্দা বকুল আলী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে হামলা, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে আইনগত ব্যবস্থা এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।লিখিত বক্তব্যে বকুল আলী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমি-জমা ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের রাকিব মন্ডল,সেকেন্দার মন্ডল,সারোয়ার আলী,রাব্বী উভয় পিতা চাঁন মোহাম্মদ সর্ব সাং চাঁপড়া অজ্ঞাত আরও ৬-৭ জনের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলে আসছে।এ বিরোধের জের ধরে গত ৯ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে ১,২,ও ৩ নং বিবাদী তানোর থানাধীন পৌরসভা অধীনস্ত ৩ নং ওয়ার্ড
চাপড়া গ্রামে শামসুদ্দিনের মার্কেটের সামনে আমাকে চার্জার ভ্যান থেকে টেনে হেচড়ে নামিয়ে কিল ঘুসি চড় থাপ্পড় এবং বাসির লাঠি দ্বারা শরীর বিভিন্ন স্হানে আঘাত করে ফুলা ও কাল সিরা জখম করে।এবং আমার নিকটে থাকা ব্যবসায়ার এক লক্ষ নব্বই হাজার টাকা ছিনিয়ে আমাকে বিভিন্ন রকমের ভয় ভীতি প্রদর্শন করে হুমকি দেন অতঃপর ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।তিনি অভিযোগ করে এ প্রতিবেদকে জানান,রাকিব মণ্ডল, পিতা মোঃ সেকেন্দার মন্ডল, সারোয়ার আলী,রাব্বি উভয় পিতা চান মোহাম্মদ
জোরপূর্বক ধরে রেখে অন্যদের সহযোগিতায় এলোপাতাড়ি মারধর করে। হামলায় তার কাঁধ, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। একপর্যায়ে তার বাম চোখে ঘুষি মারা হয় এবং লোহার রড দিয়ে কোমরে আঘাত করা হয়।বকুল আলী আরও বলেন, তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে তাকে হত্যার হুমকি দেয়।সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন,অভিযুক্তদের অব্যাহত হুমকির কারণে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ঘটনায় তিনি তানোর থানায় অভিযোগ করেছেন এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন,(১).রাকি (২).সারোয়ার ও (৩)রাববী (পিতা চান মোহাম্মদ) আমার মা সেলিনা বেগম(৫৫) আসামীরা কানের দূল সোনার চেইন ছিনিয়ে নেয় সাথে জোরপূবক ঘরে নিয়ে গিয়ে অনেক মারধর করে।আর দেশীয় অস্ত্র ঠেকিয়ে ফাকা Stamp এ সহি নেয়।
সাথে বলে কোন মেডিক্যালে ভর্তি হবিনা।কোন মামলা করলে তোর একমাএ ছেলে বকুলকে মেরে বসতায় ভরে নদীতে ফেলে দেব।আমি ও আমার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ভবিষ্যতে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য অভিযুক্তদের দায়ী করা হবে।এ বিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মাহমুদুল হাসান বলেন, দুই পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে হলে জানান তিনি।








