ভেদরগঞ্জের রামভদ্রপুর কে,আই আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষর অপসারণের দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ
শরীয়তপুর প্রতিনিধি : মোহাম্মদ পরশ মিয়া
জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের কে,আই আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কালাম এর বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাহসিনা বেগম এর বরাবর অপসারণের দাবিতে শতাধিক অভিভাবক, প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রী লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয় জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম অভিযোগটি আমলে নিয়ে দ্রুত তদন্ত করে মাওলানা আবুল কালামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে নির্দেশ দেন। দুর্নীতিগ্রস্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কালাম তার বিরুদ্ধে অভিযোগ কারিদের হুমকি ধামকি,ভয়ভীতি প্রদর্শনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে তার লালিতপালিত একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে । এ ঘটনায় ন্যায্যবিচার ও রামভদ্রপুর কে,আই আলিম মাদ্রাসা দখল করে রাখা মাওলানা আবুল
কালামের হাত থেকে উদ্ধার করে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠাকালীন মাদ্রাসার কর্মকর্তা মোঃ ওসমান সরদার, ভেদরগঞ্জ থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি সদস্য মোঃ দুলাল সরদার, সাবেক শিক্ষক ইসাহাক মুন্সি, সাবেক শিক্ষক মোঃ আলমগীর, রুমান সিকদার, কমিটির সদস্য ছালাম মাস্টার,মামুনুর রশিদ যুবদল নেতা টিটু হাওলাদার, মেহেদী হাসান বন্দুকছি, সাবেক ছাত্র দল নেতা সাজ্জাদ হোসেন কিরণ,ছিয়াম মীর, অভিভাবক নিপা বেগম,রোকসানা, তানজিলা,বিল কিছ আক্তার, আসমা বেগম,সুমি আক্তার সহ এলাকায় শতাধিক অভিভাবক প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রী ।
জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত এক আবেদনে ভুক্তভোগী অভিযোগে বলেন, রামভদ্রপুর কাজী ইসমাইলিয়া আলিম মাদ্রাসার প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী অভিভাবক ও ভুক্তভোগী এবং এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অত্র মাদ্রাসার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালামের দায়িত্ব পালন,প্রশাসনিক কার্যক্রম আর্থিক ব্যবস্থাপনা বহির্ভূত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ সমূহ। সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদ বিক্রিও অর্থাৎ,। সনদপত্র সংশোধন ও প্রদানে অবৈধ অর্থ লেনদেন,। শিক্ষার্থীদের নামে অর্থ সংগ্রহ করে নিজের আত্মসাৎ সহ নানান অভিযোগ তুলেন এলাকায় বাসি।
ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রশাসনের মাধ্যমে তাঁর মাদ্রাসার নথিপত্র প্রমাণ হিসাবে জব্দ করে তাকে দ্রুত সময় শাস্তি দাবি জানান।এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাওলানা আবুল কালামের সাথে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ভেদরগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার আবুবক্কর সিদ্দিক বলেন, রামভদ্রপুর মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্তপূর্বক তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।








