এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে বাংলাদেশ ও বোয়িংয়ের মধ্যে ১০টি ড্রিমলাইনার ও চারটি ৭৩৭ ম্যাক্স ৮—মোট ১৪টি বোয়িং বিমান কেনার জন্য প্রায় ৩৭০ কোটি ডলারের একটি চুক্তি সই হয়। চুক্তি অনুযায়ী, বিমানগুলো ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে সরবরাহ করার কথা রয়েছে।
তুরস্কের সঙ্গে বড় চুক্তি
বোয়িং বুধবার এক বিবৃতিতে জানায়, তুর্কি এয়ারলাইনসের সঙ্গে ১৫০টি ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজ নিয়ে একটি চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১০০টি বিমানের সরাসরি অর্ডার রয়েছে এবং বাকি ৫০টি ভবিষ্যতে কেনার জন্য অপশন হিসেবে রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের সতর্কতা
তবে বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ঘোষণায় মোট কতটি বিমান নিশ্চিতভাবে অর্ডার করা হয়েছে এবং কতটি ভবিষ্যৎ ক্রয়ের অপশন—তা আলাদাভাবে বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।
তাদের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের ঘোষণায় বড় অঙ্কের বাণিজ্যিক চুক্তি একদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে সামনে এলেও, অনেক ক্ষেত্রেই এসব চুক্তির পেছনে দীর্ঘদিনের আলোচনা ও প্রস্তুতি থাকে।
এ ছাড়া বোয়িংয়ের সাম্প্রতিক উৎপাদন ও সরবরাহ বিলম্ব এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে ঘোষিত বিমানগুলো নির্ধারিত সময়ে কতটা নির্বিঘ্নে সরবরাহ করা যায়, সেটিও পর্যবেক্ষণের বিষয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।