স্কাউটিং এবং একজন স্কাউট শিক্ষকের গল্প
স্কাউটিং এবং একজন স্কাউট শিক্ষকের গল্প- আমার আব্বাকে নিয়ে লেখাটি আজ ২৩ মার্চ ২০২৩, প্রকাশিত হয়েছে দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের সম্পাদকীয়তে
ছবি ক্রেডিট : আবইয়াদ আহনাফ আদ্রিক, আমার ছেলে
আমার আব্বা মরহুম আবদুল আজিজ শাহ্ (১৯৯০) নেত্রকোনো জেলায় স্কাউটিং এবং ক্রীড়া বিকাশে পথিকৃতের ভূমিকা রেখেছেন। আমার আব্বা নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের স্কাউট ও ক্রীড়া শিক্ষক ছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশে স্কাউটিং বিকাশে সেই সময়ের একজন স্কাউট শিক্ষকের গল্প শোনাব আজ। সত্তর দশকের কঠিন সময়ে তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্কাউটের ছাত্র জোগাড় করতেন। জোগার শব্দটা কেন বললাম জানো, তখন আমাদের মতো কৃষিনির্ভর পরিবারে প্রাইমারি পাসের পর হাইস্কুলে যাওয়ার সুযোগ খুব কম ছাত্রেরই হতো। তার পরও যাদের হতো তাদের অনেকেই সেভেন, এইটে গিয়ে ঝরে পড়ত। কারণ আমাদের গরিব কৃষক বাবাদের পক্ষে পড়াশোনার খরচ চালানো সম্ভব ছিল না। এমন একটা সামাজিক অবস্থার মধ্যে স্কাউটিংয়ে ছাত্রদের নিয়ে যাওয়াটা ছিল অনেকটা বিলাসিতার মতোই। কিন্তু তা সম্ভব হয়েছিল তোমার আব্বা শাহ্ আজিজ স্যারের ঐকান্তিক আগ্রহের ফলে। তিনি স্কাউটিংয়ে ছাত্রদের আগে মানসিকভাবে তৈরি করতেন। তারপর ছাত্রের বাড়িতে গিয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে রাজি করাতেন। কারো কারো ক্ষেত্রে স্কাউটারের পোশাক তিনি সাবেকদের থেকে চেয়ে এনে দিতেন। সেই পোশাক মাপমতো বানানোর জন্য দর্জি ঠিক করে দিতেন। অত সহজ ছিল না ব্যাপারটা। স্যার দায়িত্ব নিয়ে কাজগুলো করেছেন। অবাক হয়ে শুনলাম আমার শিক্ষক বাবার স্কাউটিং বিকাশের এই গল্প।
পড়তে পারেন এই লিঙ্কে








