ঢাকা | মার্চ ১১, ২০২৬ - ৮:০৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে “জুলাই বিদ্রোহ এবং বর্তমান পরিস্থিতি বাংলাদেশ” শীর্ষক ভার্চুয়াল সভা

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Saturday, August 9, 2025 - 12:40 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 93 বার

অস্ট্রেলিয়ার, সিডনি : ৭ আগস্ট, ২০২৫ — অস্ট্রেলিয়া — বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন অস্ট্রেলিয়া (BYUA) এক গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন সভার আয়োজন করে, যা গুগল মিটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। এই সভার মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই বিদ্রোহের ইতিহাস স্মরণ এবং বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কমরেড সাইফুর রহমান।

সভায় সভাপতি ছিলেন কমরেড জহির উদ্দিন আহমেদ মাসুদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ যুব ইউইনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির

সংগ্রামী সভাপতি কমরেড খান আসাদুজ্জামান মাসুম। মূল বক্তা ছিলেন কমরেড জাহিদুল ইসলাম সজিব, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটি।

অন্যান্য সদস্য ও অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমরেড মাসুক আহমেদ, কমরেড ফাইয়াজ ইসলাম, কমরেড ইমতিয়াজ হোসেন রাফি, কমরেড আবুল হাসনাত চৌধুরী, কমরেড অমিত হাসান, কমরেড ওমর তালুকদার কমল প্রমুখ। মূল বক্তৃতায় কমরেড সজিব বাংলাদেশের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসের কথা তুলে ধরেন—ব্রিটিশ বিপ্লব, ১৯৫২ ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই বিদ্রোহ—এবং বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দুর্নীতির চিত্র বিশ্লেষণ করে দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা বলেন।

কমরেড জহির মাসুদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর, বাংলাদেশের যুব, ছাত্র ও সাধারণ জনগণের রক্তের বিনিময়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হয়। এই সরকার এর উচিত ছিল, জুলাই মাসের গণহত্যার বিচার, প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা সংস্কার, ও নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন। কিন্তু বর্তমানে যা দেখা যাচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ব্যর্থতা। তারা সরকারি মদদে কিংস পাটি এন সি পি তৈরি করেছে। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শুধুমাত্র মার্কিন সরকারের পলিসি অনুযায়ী কাজ করছে, গোপন চুক্তি করছে, মিয়ানমারের সাথে করিডোর নির্মাণ করছে, এবং সেন্ট মারটিন দ্বীপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে—এসব সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারেরই হওয়া উচিত। এ সব বিষয়ে তারা জনগণকে জানতেও না।”

প্রধান অতিথি কমরেড মাসুম তাঁর বক্তব্যে বলেন, “এক বছর হয়ে গেল সরকার পরিবর্তন হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছেন, কিন্তু ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষের আন্দোলন এখনও সফল হয়নি। আমাদের স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে, একটি ন্যায়সঙ্গত, শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

এই ভার্চুয়াল সভা বাংলাদেশের ইতিহাসের সংগ্রাম ও ভবিষ্যতের পথে আশার আলো নিয়ে আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে শেষ হয়, যা বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্ন ও প্রত্যাশার প্রতিফলন।