ঢাকা | মার্চ ১০, ২০২৬ - ২:৫৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

মায়ের বিরুদ্ধে বাবাকে হত্যার অভিযোগ করলেন সন্তান

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Tuesday, August 26, 2025 - 7:02 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 203 বার

নিজস্ব প্রতিবেদক:এইচ এম তৌহিদ আনোয়ার অভিক। গুলশানের কার হাউজ মালিক। দেশে গাড়ি ভালোবাসে যারা তারা অভিক আনোয়ারকে এক নামেই চেনে। যে কোন নতুন গাড়ির রিভিউ অথবা দেশের বাইরে কার রেসিং এ তার নাম সবার আগে চলে আসে। ১২ই জুলাই ২০২৩ সালে বনানীর বাসায় মৃত্যু হয় তার বাবার। সে সময় অভিক সংযুক্ত আরব আমিরাতে তার গর্ভবতী স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন।

তার বাবার মৃত্যুর পর থেকেই সন্দেহ জাগতে থাকে যে এর পেছনে কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছে। তৌহিদ আনোয়ার অভিক বলেন, দেশে আসার পর খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারি,বাবার মৃত্যুর ছয় দিন আগে তার মামা যিনি একজন দাগী আসামি এবং ২০০৩-০৪ সাল থেকে একটি খুনের মামলায় অভিযুক্ত তার এক বন্ধু ও একজন সন্ত্রাসীসহ যুক্ত ছিলেন। এদের পেছনে আওয়ামী লীগের শক্তিশালী সমর্থন ছিল। অভিযোগ করেন, এই কারণে তিনি জুলাই ২০২৪ সাল পর্যন্ত কিছুই করতে পারিনি। এর পরও পুলিশ ও বিচার বিভাগ সবসময় আওয়ামী লীগের পক্ষেই থেকেছে, ফলে আমি আমার বাবার মৃত্যুর বিচার পেতে ব্যর্থ হয়েছি।

অভিকের জানান, এখন আমার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিক দাবি করেন কাকরাইলের কার হাউজের ও বনানীর বাসা দখল করে রেখেছেন তার মা আনোয়ারা বেগম। অভিযোগ করেন বাবা মারা যাবার পর নতুন প্রেমিক নিয়ে থাকেন বনানীর বাসায়। তৌহিদ আনোয়ার অভিকের বড় এক ভাই ও এক বোন আছে। বড় ভাই নেশাগ্রস্থ প্রত‍্যয় রিহ্যাবে চিকিৎসাধীন । অভিক জানান, সম্পত্তি দখলের জন‍্য নিজের বড় ছেলেকে রিহ‍্যাবে পাঠিয়েছে তার মা। বেশ কয়েকবার দেখা করতে গেলেও ভাই এর সাথে দেখা করার সুযোগ মেলেনি। ছোট বোন থাকে কানাডা । অভিকের অভিযোগ মার ঘনিষ্ঠ সহযোগী একজন ব্যক্তি, যিনি একটি বেসরকারী টিভিতে কর্মরত এবং যার চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ মজুমদার

(আওয়ামী লীগের নেতা), তারা যৌথভাবে ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন। বলেন এসব ঘটনার স্ক্রিনশট ও অন্যান্য প্রমাণ রয়েছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন বাবার মৃত্যুর পরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার কথা। বর্তমানে মিনহাজ নামের একজন ব্যক্তি, যিনি পূর্বে আওয়ামী লীগের সংগঠনের নেতা ছিলেন, তিনি আমার বিরোধীপক্ষকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছেন। কেবল তাই নয়, কমিশনার অফিসের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তাও তাদের সহায়তা প্রদান করছেন। ফলে আমার ওপর করা মিথ্যা মামলাগুলি আরও জোরদার হচ্ছে এবং আমি ন্যায়বিচার পাচ্ছি না।

অভিকের বলেন, মেজবাউদ্দিন লিটন তার বাবার হত্যার সঙ্গে জড়িত। সে একজন আওয়ামী লীগ নেতা। তার অনেক অনেক ছবি রয়েছে মহিলা নেত্রীদের সঙ্গে, বিশেষ করে নাসিম উসমানের স্ত্রীর সঙ্গেও। লিটনের বিরুদ্ধে বহু রাজনৈতিক মামলা রয়েছে এবং খুব সম্প্রতি সে শাহবাগ থানার একটি মামলায় জেলে গিয়েছিল।

তার বিরুদ্ধে আরও রাজনৈতিক মামলা রয়েছে, তাহমিনা আনোয়ার আমার পরিবারে সবচেয়ে ছোট। ২০১১ সালে সে উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডায় যায়। কিন্তু আজ পর্যন্ত, এখন ২০২৬ সাল, সে তার গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করতে পারেনি। প্রচুর মদ্যপান করে। সে নাস্তিক। কানাডায় দুই বা তিনবার বিয়ে করেছে। যখন তার বাবা মারা যান, তখন সে রহস্যজনক কারণে বাংলাদেশে আসতে পারেনি। কিন্তু বাবার মৃত্যুর এক বছর দুই মাস পর সে বাংলাদেশে আসে তার উত্তরাধিকার দাবি করতে।

মূলত এইচ এম তৌহিদ আনোয়ার অভিক সংবাদ মাধ্যমে তার মতামত তুলে ধরেছেন। তিনি তার বাবার হত্যার বিচার ও দখল হওয়া সম্পদের শুষ্ঠু বন্টনের জন্য। তিনি সরকারের কাছে দাবি করেন জুলাই আগষ্টের হত্যা মামলায় তার নাম দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে তা বন্ধ করতে হবে।