অস্ট্রেলিয়া বিএনপির উদ্যোগে খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত
সিডনি, অস্ট্রেলিয়া:বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপারসন, আপোষহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া-এর মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়া বিএনপির উদ্যোগে আজকে ৩১ ডিসেম্বর, বুধবার সিডনির রেইলওয়ে প্যারেড, লাকেম্বা-তে গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত জানাযায় দল-মত নির্বিশেষে ব্যাপক মানুষের উপস্থিতি ছিল। গায়েবানা জানাজায় ইমামতিত্ব করেন অস্ট্রেলিয়ার উলামা ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ক এবং ইসলামিক কালচার প্রোপাগেশন সেন্টারের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম।
অস্ট্রেলিয়া বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, জিয়া সাইবার ফোর্স-জেএডসিএফ, সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ, সকলেই এই শোকের মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন। জানাযায় অংশগ্রহণকারীরা বেগম খালেদা জিয়া-এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
প্রত্যেকেই অত্যন্ত শোকাহত হয়ে দেশনেত্রীর শেষ বিদায়ের গায়েবানা জানাযায় দোয়া ও রুহের মাগফেরাত কামনা করেছেন। জানাযায় উপস্থিত সকলের মধ্যে এক গভীর শোকের পরিবেশ বিরাজমান ছিল। অনেকেই মর্মাহত হয়ে শোকসন্তপ্ত মুহূর্তগুলো স্মরণ করেন এবং বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবদান, একজন সাধারণ গৃহবধু থেকে কিভাবে দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী দলে শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে এসে দেশকে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের আঙ্গিকে গড়ে তোলেন সে ভূমিকা তুলে ধরেন।
গায়েবানা জানাযা শেষে অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সভাপতি এ.এফ.এম. তাওহীদুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হায়দার আলী নেতাকর্মী ও উপস্থিত সকলের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং ধন্যবাদ জানান। জানাজার পূর্বে বক্তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্র রক্ষায় অপরিসীম অবদান রেখে গেছেন এবং তার মৃত্যুতে দেশ ও বিদেশের নেতাকর্মী এবং দল-মত নির্বিশেষে সকলেই গভীর শোকাহত। তিনি স্বৈরাচার সরকারের শত জুলুমের পরেও দেশের মানুষকে ভালবেসে দেশের মাটিতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে। তার এই আত্মত্যাগ দেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি কোটি মানুষের মনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীনতায় চির অমর হয়ে থাকবেন। শতবছর পরে জন্ম নেয়া শিশুটিও জানবে, বাংলাদেশে একজন আপোষহীন নেত্রী ছিলেন, যিনি বাংলাদেশের স্বার্থে এক চুল পর্যন্ত কাউকে ছাড় দেন নি। আজকে তার জানাজায় বাংলাদেশের লাখো কোটি মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে তিনি কতটা জনপ্রিয় ছিলেন। এটি মুসলিম বিশ্বের সর্বকালের সর্ববৃহৎ জানাযা হিসেবে পৃথিবীর ইতিহাসে চির অম্লান হয়ে থাকবে।
উক্ত গায়েবানা জানাযায় আরও উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সাবেক সভাপতি লুৎফুল কবীর, বর্তমান সহ-সভাপতি সেলিম লকিয়ত, আশরাফুল ইসলাম, মোবারক হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াস কাঞ্চন শাহীন, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম শফিক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রিজভী আহমেদ, আসওয়াদুল হক বাবু, অস্ট্রেলিয়া যুবদলের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, অস্ট্রেলিয়া বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান লাবু এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক ও জিয়া সাইবার ফোর্স-জেডসিএফ অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ শাখার সদস্য সচিব মো: বাদশা বুলবুল।








