মির্জাপুর এস,কে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের কারিগরি শিক্ষককে রাজকীয় বিদায়
মোঃ রুবেল মিয়া, স্টাফ রিপোর্টারঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পৌরসদরের ৩নং ওয়ার্ডে অবস্থিত স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মির্জাপুর এস.কে.পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। একশত এগারো বছর এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বয়স হলেও এবারই প্রথম কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের ভোকেশনাল বিভাগের শিক্ষক আবুল বাশারের রাজকীয় বিদায় দিল তার প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ও হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ।
দীর্ঘ ২৯ বছরের কর্মজীবনের ইতি টেনে তিনি যখন বাড়ির পথে রওনা দেবেন তখন গাড়ির বদলে বাহন হলো রাজকীয় ঘোড়ার গাড়ি। আর তার সাথে যুক্ত হয় বাদ্যযন্ত্রে বিভিন্ন গানের তালের সুর। শিক্ষার্থীদের অকৃত্রিম ভালোবাসায় সাজানো এক রাজকীয় বিদায়যাত্রা। অবসরে এ ব্যতিক্রমী বিদায়ে আবেগাপ্লুত তার সহকর্মী শিক্ষকেরাও।
সোমবার ৩০ মার্চ মির্জাপুর সরকারি এস.কে.পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিক বিদায় শেষে দুপুরে তিনি নিজ বাড়ি মির্জাপুর উপজেলার তেলিনা এলাকার উদ্দেশে রওনা হন। আর তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে তাকে বাড়ি পৌছে দিতে প্রস্তুত উপজেলা শিক্ষা অফিসার থেকে শুরু করে বিদ্যালয়ের প্রধান সাবেক প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামসহ আরো অনেকে।
এর আগে বিদ্যালয়ে ফুলের শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে তাকে সম্মান জানানো হয়। পরে বিদ্যালয়ে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় স্মৃতিচারণ করা হয় তার দীর্ঘ কর্মজীবন ও শিক্ষাদানের নানা দিক নিয়ে। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, আবুল বাশার তিনি ছিলেন, আদর্শ শিক্ষকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে তাঁর অবদান এলাকাবাসী আজীবন স্মরণ করবে।
বিদায়কালীন শিক্ষক আবুল বাসার বলেন, এটা আমার জিবনে গর্বের একটা বিষয় সত্যিই আমি খুব আনন্দিত, এরকম বিদায় আর কারোর ক্ষেত্রে হয়নি। আমি শিক্ষক হিসেবে ২৯ বছর যাবৎ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত গড়ার জন্য কারিগরি বিভাগে সহকারী শিক্ষকতা করেছি। আমার প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এমন রাজকীয় আয়োজন করেছে এতে আমি সন্তুষ্ট।








