সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় যুবদল নেতা ও সমাজসেবক এমদাদুল হক মণ্ডল
সোহানুল হক পারভেজ রাজশাহী ব্যুরো প্রধান :রাজশাহীর তানোর পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা ধরনের আলোচনা। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও জনমত যাচাই। এ আলোচনায় অন্যতম সম্ভাব্য মুখ হিসেবে উঠে এসেছে সাবেক ছাত্রনেতা, তানোর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি,
পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির শিক্ষিত ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এমদাদুল হক মণ্ডলের নাম।দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসায় পৌর এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি পরিচিত মুখ। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সম্পৃক্ত থাকায় তাঁকে নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক আলোচনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে এমদাদুল হক মণ্ডল বলেন, দলের হাইকমান্ডের সহযোগিতা,
নির্দেশনা ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন পেলে আগামী তানোর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচন করার ইচ্ছা রয়েছে। জনগণের সেবা ও পৌরবাসীর কল্যাণে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। দল যদি আমাকে দায়িত্ব দেয় এবং জনগণ যদি আস্থা রাখে, তাহলে ইনশাআল্লাহ আমি নির্বাচন করবো।তিনি আরও বলেন, “তানোর পৌরসভাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার চেষ্টা থাকবে।
এজন্য সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতাও তত বাড়বে।একটি অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন স্থানীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করে। নির্বাচনের মাঠে একাধিক গ্রহণযোগ্য প্রার্থীর উপস্থিতি ভোটারদের সামনে বিকল্প তৈরি করে এবং নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত করে তোলে।স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন কখনোই কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে না। বরং যোগ্য,
জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য একাধিক প্রার্থীর অংশগ্রহণে ভোটাররা নিজেদের মত প্রকাশের সুযোগ পান।শেষ পর্যন্ত যিনি মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসা অর্জন করতে পারবেন, জনগণই তাঁকেই তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবেন।এদিকে তানোর পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নামও ধীরে ধীরে আলোচনায় আসতে শুরু করেছে।
নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা না করলেও সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই জনসংযোগ, মতবিনিময় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে শুরু করেছেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, আগামী তানোর পৌরসভা নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উৎসবমুখর। আর সেই সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঠে আলোচিত মুখগুলোর মধ্যে এমদাদুল হক মণ্ডলের নামও এখন স্থানীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্যভাবে উচ্চারিত হচ্ছে।








