ঢাকা | সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ - ৬:৪১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

গোদাগাড়ীর এএসপি আব্দুস ছালামকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Saturday, September 26, 2026 - 11:40 am
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 26 বার

সোহানুল হক পারভেজ রাজশাহী ব্যুরো প্রধান:রাজশাহীর গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মীর্জা মো. আব্দুস ছালামকে নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তানোর ও গোদাগাড়ীর এলাকাবাসী এবং সচেতন নাগরিকরা। তাঁদের দাবি, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণে একটি স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল এএসপি আব্দুস ছালামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে।এলাকাবাসী ও সচেতন নাগরিকদের ভাষ্য, এএসপি আব্দুস ছালাম গোদাগাড়ী সার্কেলে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে

মাদকবিরোধী কার্যক্রমে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে ও তদারকিতে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার হওয়ায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে দাবি তাঁদের।তানোর ও গোদাগাড়ীর কয়েকজন সচেতন নাগরিক বলেন, ‘এএসপি আব্দুস ছালাম একজন সৎ ও ভালো কর্মকর্তা হিসেবে এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর মাদকের বিরুদ্ধে যে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন, তাতে

মাদকসংশ্লিষ্টদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এ কারণেই একটি কুচক্রী মহল তাঁর বিরুদ্ধে উঠে-পড়ে লেগেছে।’
তাঁদের দাবি, মাদকবিরোধী অভিযানের কারণে যারা আগে মাদক ব্যবসা বা মাদকসেবনের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের অনেকেই এখন চাপে রয়েছে। এ কারণে নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় ওই মহলটি পুলিশ কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।এলাকাবাসীর বক্তব্য, ‘আমরা তানোর-

গোদাগাড়ীর মানুষ চাই, একজন সৎ ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা তাঁর দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করুন। এএসপি আব্দুস ছালাম যোগদানের পর মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। এতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে আছে এবং আমরা শান্তিতে বসবাস করতে পারছি।’সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত ও যাচাই হওয়া উচিত। কিন্তু যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো পক্ষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা হলে তাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলেও তাঁরা মন্তব্য করেন।

রাজশাহী জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার সত্ত্বে বলেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিষয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইন ও বিধিমালা রয়েছে। কোনো অভিযোগ বা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে হলে তা যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। প্রকাশিত সংবাদের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দাপ্তরিক কোনো নির্দেশনা বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে এএসপি আব্দুস ছালামকে নিয়ে প্রকাশিত

প্রতিবেদনগুলোর বিষয়ে এলাকাবাসী ও সচেতন নাগরিকরা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর অবস্থানকে দুর্বল করার জন্য কোনো মহল যেন অপপ্রচার চালানোর সুযোগ না পায়। একই সঙ্গে তাঁরা সাংবাদিকদের কাছে বস্তুনিষ্ঠভাবে তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের

আহ্বান জানান।তানোর-গোদাগাড়ীর সচেতন নাগরিকদের ভাষ্য, ‘একজন ভালো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে তদন্ত হোক, সত্য-মিথ্যা যাচাই হোক। কিন্তু মাদকবিরোধী অবস্থানের কারণে যদি কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে হেয় করার চেষ্টা করে, সেটি কোনোভাবেই কাম্য নয়।’তাঁরা আরও বলেন, এএসপি আব্দুস ছালাম দায়িত্ব পালনকালে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখলে সাধারণ মানুষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে আরও কার্যকর সেবা পাবে বলে তাঁরা আশা করেন।