মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) শহর কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে এ তথ্য প্রকাশ করে। জালিয়াতির বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পরপরই ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসকে জানানো হয়েছে। বর্তমানে ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।
নতুন অ্যারেনা নির্মাণের অর্থ স্থানান্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোবাইল শহরে নির্মাণাধীন রিজিয়নস অ্যারেনা প্রকল্পের অর্থ পরিশোধের সঙ্গে এই প্রতারণামূলক লেনদেনের সম্পর্ক রয়েছে। শহরের মেয়র স্পাইরো চেরিওগিটিস বুধবার জানান, অক্টোবরের শুরুতে ১ কোটি ৪৭ লাখ ডলারের একটি ওয়্যার ট্রান্সফার করা হয়েছিল। তবে তিনি শুক্রবার বিষয়টি জানতে পারেন।
অর্থ উদ্ধারে তদন্ত
শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা এবং অর্থ উদ্ধারের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, শহর প্রশাসন নিজস্ব পর্যালোচনার জন্য আইনজীবী ও ফরেনসিক হিসাবরক্ষণ প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করেছে।
মেয়র আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্যোগও নিয়েছেন। বড় অঙ্কের অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক পদ্ধতির পরিবর্তে সরাসরি চেক হস্তান্তরের মতো কঠোর নিয়ন্ত্রণ চালুর কথা জানানো হয়েছে।
নাগরিক সেবায় প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বাস
শহর কর্তৃপক্ষের দাবি, শক্তিশালী আর্থিক রিজার্ভ এবং বিকল্প তহবিলের ব্যবস্থা থাকায় এই ঘটনা শহরের আর্থিক স্থিতিশীলতা, নাগরিক সেবা কিংবা চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের সময়সূচিতে প্রভাব ফেলবে না। তবে অর্থ কীভাবে প্রতারণার মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে তদন্তের ফল এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
ঘটনাটি সরকারি অর্থের নিরাপত্তা ও বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনে কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের গুরুত্ব আবারও সামনে এনেছে।