দালাল মুক্ত স্বচ্ছ সেবা দিতে গিয়ে অপপ্রচারের শিকার ময়মনসিংহ বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক জহির উদ্দিন
স্টাফ রিপোর্টারঃ রাষ্ট্রীয় সেবাদানকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ময়মনসিংহ কার্যালয়কে দালাল মুক্ত করার পাশাপাশি স্বচ্ছ ও দুর্ণীতিমুক্ত সেবা কার্যালয় হিসাবে উপহার দিয়ে গিয়ে দালালদের ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন ময়মনসিংহ বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক জহির উদ্দিন বাবর।
দালালমুক্ত অফিস করতে দালালের বিরুদ্ধে জিরোটলারেন্স নীতি নিয়ে কাজ করায় একটি কু-চক্রি মহল অফিসে অনিয়ম ও দালালিতে ব্যর্থ হয়ে সম্প্রতি এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন প্রভাকান্ড ছড়াচ্ছে এমন দাবী উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
অফিস সুত্রে জানা গেছে-সড়ক পরিবহন সেবাকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে দালাল সিন্ডিকেটদের বিরুদ্ধে জিরোটলারেন্স নীতি কাজ করে অফিসকে দালালমুক্ত করতে সচ্ছতার সাথে কাজ করছে ময়মনসিংহ বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক জহির উদ্দিন বাবর। কিছু দালাল চক্ররা
বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক জহির উদ্দিন বাবরের
আদর্শের কাছে হেরে গিয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এমনটাও দাবী করেছেন সচেতন মহলের অনেকেই।
সুত্র জানিয়েছে একাধিক দালাল চক্ররা সেবা গ্রহীতাদের অফিসে যেতে না দিয়ে নিজেরা সেবা গ্রহীতাদের নিকট থেকে ঘুষ নিয়ে একাদিক আবেদনের ফাইল জমা দেন, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর মোটরযান পরিদর্শক জহির উদ্দিন বাবর
তাদের এসব ফাইল তদন্ত করে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের তথ্য পাওয়ায় বাতিল করায় তারা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন।
সেই শত্রুতা থেকেই দালালদের একটি অংশ
মোটরযান পরিদর্শক জহির উদ্দিন বাবরকে
নিয়ে মিথ্যা ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার করতে উৎসাহিত করেছেন বলে দাবী করা হয়েছে।
অফিস সুত্র জানিয়েছে-মোটরযান পরিদর্শক জহির উদ্দিন বাবর ময়মনসিংহ বিআরটিএ শাখায়
যোগদান করার পর থেকে দালালের বিরুদ্ধে এ্যাকশন শুরু করার পর থেকে এই মহলটি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে উঠেছে।
-ময়মনসিংহ বিআরটিএ কার্যালয়ের সেবা কার্যক্রমকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার এসব অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে দাবি করে ময়মনসিংহ বিআরটিএ কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক জহির উদ্দিন বাবর জানান- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) একটি রাষ্ট্রীয় সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। নির্ধারিত নিয়ম-নীতিমালা ও প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় অনলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক সেবাপ্রত্যাশীকে বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করা হয়। কিন্তু একটি মহল পরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
জহির উদ্দিন বাবর বলেন, তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং বাস্তবতার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি সব সময় সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করেন এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার প্রশ্নই ওঠে না।
তিনি বলেন, “যেসব তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলো যথাযথভাবে যাচাই না করেই ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। একটি রাষ্ট্রীয় সেবা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এ ধরনের অপপ্রচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার বা গ্রহণ না করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি মূল্যায়ন করা উচিত।
স্থানীয় প্রশাসনিক সূত্র জানায়, বিআরটিএ একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়মিত যানবাহনের ফিটনেস, রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। ফলে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সেবার মান নিয়ে জনমনে ভুল ধারণা সৃষ্টি হলে তা সামগ্রিক সেবা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।







