ঢাকা | আগস্ট ২৩, ২০২৬ - ৫:২৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

চরবাগডাঙ্গায় বিএনপি নেতা আজিজুলের অফিস-বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Saturday, August 22, 2026 - 4:27 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 22 বার

ইমাম হাসান জুয়েল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ও নারায়ণপুর ইউনিয়নের বাখরআলি ও আলিমনগর এলাকায় বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বালুমহালের ঠিকাদার মো. আজিজুল ইসলামের অফিস ও বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক ও

নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ইজারাকৃত পদ্মা নদীর বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দুটি হলো—সদর থানার মামলা নং-৪৬ ও ৪৭, তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৬। মামলার

আসামিদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সইবুরের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি পুলিশ দল বাখরআলি ও আলিমনগর এলাকায় যায়। এ সময় স্থানীয় প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন মানুষ জড়ো হয়ে পুলিশকে আসামি গ্রেপ্তারে বাধা দেয় বলে জানা গেছে।

পরবর্তীতে আজিজুল ইসলামের অফিস ও বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন তার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, হামলাকারীরা বাড়িতে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মালামাল তছনছ করে এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। আজিজুল ইসলামের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, আত্মগোপনে থাকা এক আওয়ামী লীগ নেতার নির্দেশে এ হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

পরিবারের সদস্যদের আরও দাবি, হামলার পর থেকে তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তারা চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলা নিয়ে এলাকায় আগে থেকেই অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিরাজ করছিল। সেই ক্ষোভের জেরেই বৃহস্পতিবার রাতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ইনচার্জ মো. একরামুল হোসাইন জানান, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ দায়ের করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।