ঢাকা | আগস্ট ২৩, ২০২৬ - ৪:৩০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

প্রথম ধাপে হবিগঞ্জসহ ১০ জেলায় আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা- প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Saturday, August 22, 2026 - 5:01 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 11 বার

হবিগঞ্জ, ২২ আগস্ট ২০২৬: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, সরকার দেশের প্রতিটি জেলায় আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি করে স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রথম ধাপে ১০টি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সিলেট বিভাগের মধ্যে হবিগঞ্জ জেলায় এ কার্যক্রমের প্রথম ধাপে স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে।

আজ (শনিবার) হবিগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে হুইপ জি কে গউছ এমপি সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী বলেন, হবিগঞ্জ ও সিলেটের মানুষ অত্যন্ত ক্রীড়াপ্রেমী। আজকের ফাইনাল খেলায় দর্শকদের উপচেপড়া উপস্থিতি প্রমাণ করেছে, খেলাধুলার প্রতি এ অঞ্চলের মানুষের গভীর ভালোবাসা রয়েছে। খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সিলেট বিভাগ সারা দেশের জন্য একটি মডেল হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, হবিগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামের গ্যালারিসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের সব জেলা স্টেডিয়াম ও ইনডোর স্টেডিয়াম সংস্কারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হবিগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামের যে অংশে গ্যালারি নেই, সেখানে দ্রুত কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। দর্শকদের যাতে মাঠে দাঁড়িয়ে খেলা দেখতে না হয় এবং গ্যালারিতে বসে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলাধুলা উপভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে গ্যালারি নির্মাণের পাশাপাশি ড্রেসিং রুমসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য অবকাঠামোর উন্নয়ন ও সংস্কার করা হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী আরও বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। হবিগঞ্জের মানুষের ক্রীড়াপ্রেম ও ব্যাপক উৎসাহকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের খেলাধুলাকে আরও এগিয়ে নেওয়া হবে।

হুইপ জি কে গউছ এমপি বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে ঐক্য, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য সৃষ্টি করা সম্ভব। রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক সৌন্দর্য হলেও খেলাধুলার মাঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে। হবিগঞ্জে আয়োজিত ফুটবল প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছে, হবিগঞ্জের মানুষ খেলাধুলাকে ভালোবাসে এবং শান্তি ও সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করে।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ড. সাখাওয়াত হোসেন জীবন, জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামাল জামাল মোল্লা, টুর্নামেন্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আমিনুল ইসলামসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়ামোদী দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

ফাইনাল খেলায় বানিয়াচং ফুটবল একাদশ ১-০ গোলে নুনু ফুটবল একাডেমি তাজপুর, সিলেটকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।