ঢাকা | আগস্ট ২৩, ২০২৬ - ৪:৩০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

পঞ্চগড়ে জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে করতোয়া সোলারের জমি রেজিস্ট্রেশন, তদন্তে প্রমাণিত

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Saturday, August 22, 2026 - 4:36 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 15 বার

স্নিগ্ধা খন্দকার নিহা,পঞ্চগড় প্রতিনিধি:পঞ্চগড়ে জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে করতোয়া সোলার লিমিটেডের জমি রেজিস্ট্রেশনের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে গত ৩০ জুন জেলা প্রশাসকের কাছে পত্র দিয়েছেন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার। তবে দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও কোম্পানিটির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি জেলা প্রশাসন।

এর আগে গত বছরের ৪ জানুয়ারি এবং ২০২৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে করতোয়া সোলার লিমিটেডের জমি রেজিস্ট্রেশনের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংবাদটি জেলা প্রশাসনের নজরে এলে তৎকালীন জেলা প্রশাসকের নির্দেশে রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর আমিনুল ইসলাম তারেক গত বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত এক পত্রে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন।

অভিযোগে বলা হয়, পঞ্চগড়ে জেলা প্রশাসকের জমি ক্রয়ের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে করতোয়া সোলার লিমিটেড নামের একটি কোম্পানি প্রায় ৪৫ বিঘা জমি রেজিস্ট্রি করেছে। তেঁতুলিয়া উপজেলার ময়নাগুড়ি এলাকার শেখগছ মৌজায় দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের জালিয়াতির মাধ্যমে জমি কেনাবেচার অভিযোগ করে আসছেন স্থানীয়রা।

নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কোম্পানি জমি ক্রয় করতে হলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের অনুমতির আদেশ নেওয়া বাধ্যতামূলক। করতোয়া সোলার লিমিটেড ২০২১ সালের ২৬ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে জমি ক্রয়ের অনুমতি নেয়। ওই অনুমতিপত্রে কয়েকটি শর্ত দেওয়া ছিল। এর মধ্যে একটি শর্ত ছিল, এক বছরের মধ্যে জমি ক্রয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আরেকটি শর্ত ছিল, অকৃষি জমি ক্রয় করতে হবে।

অভিযোগ রয়েছে, ওই অনুমতিপত্র জালিয়াতি করে ২০২৪ সালে জমি রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে করতোয়া সোলার লিমিটেড। একই সঙ্গে শর্ত অমান্য করে দুই ফসলি জমিও ক্রয় করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তদন্তে অনুমতিপত্র জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার পরও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোম্পানিটির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।