ঢাকা | জুলাই ২০, ২০২৬ - ৮:৩৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

বন্যাদুর্গত ৩১০০ পরিবারের পাশে বিজ, চট্টগ্রাম-রাঙামাটিতে খাদ্য ও ওষুধ বিতরণ

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Sunday, July 19, 2026 - 6:08 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 18 বার

চট্টগ্রাম-চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলার সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩১০০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় ওষুধসহ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে জাতীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বাংলাদেশ এক্সটেনশন এডুকেশন সার্ভিসেস (বিজ)।

শনিবার ও রোববার সংস্থাটির চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রাঙামাটি জেলায় পরিচালিত ২৭টি শাখার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ১৫টি শাখার সুবিধাভোগী সদস্যদের মাঝে এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া রানীরহাট শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজের সিনিয়র কমপ্লায়েন্স অফিসার মুহাম্মদ জুয়েল রানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন রানীরহাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির আহ্বায়ক জাহেদুল আলম চৌধুরী ও যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ মাসুদ চৌধুরী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রানীরহাট শাখার ব্যবস্থাপক হাফিজুর রহমান, সিনিয়র মাঠ কর্মকর্তা রবিউল হোসেন, আজাদ হোসেন, অ্যাকাউন্টস অফিসার এন্তি বড়ুয়াসহ সংস্থার বিভিন্ন কর্মকর্তা।

সংস্থাটি জানায়, চট্টগ্রামে অতি ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য কর্ণফুলী, বোয়ালখালী, মুরাদপুর, চন্দনাইশ, দোহাজারী, কেরানীরহাট, সাতকানিয়া, পটিয়া, পাহাড়তলী, অক্সিজেন, চৌধুরীহাট, নোয়াপাড়া, রাউজান, চকরিয়া ও রানীরহাটসহ ১৫টি শাখার মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

প্রতিটি পরিবারকে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ৩ কেজি আলু, ১ কেজি লবণ, ৫ লিটার বিশুদ্ধ খাবার পানি, হাত ধোয়ার সাবান, খাবার স্যালাইন, নাপা ট্যাবলেট, এমোডিস ট্যাবলেট এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট প্রদান করা হয়।
রাঙুনিয়া ও রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার সুবিধাভোগী সদস্যদের মধ্যেও পৃথকভাবে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত ২৪৬টি পরিবারের হাতে চাল, ডাল, আলু, বিশুদ্ধ পানি, লবণ, সাবান, খাবার স্যালাইন, ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ তুলে দেওয়া হয়।

ত্রাণ পেয়ে উপকারভোগীরা বিজ কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দুর্যোগের এই সময়ে সংস্থার সহযোগিতা তাদের অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছে।

বিজ কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ। ভবিষ্যতেও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।