ঢাকা | জুন ১০, ২০২৬ - ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

পরকিয়া করতে গিয়ে বিএনপি নেতা কট অতঃপর বিয়ে, দল থেকে বহিষ্কার

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Tuesday, June 9, 2026 - 3:32 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 46 বার
সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক প্রবাসীর ডিভোর্সি স্ত্রীর ঘরে পরকীয়া করতে গিয়ে জনতার হাতে কট খেয়েছেন বাঁশতৈল ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক সফিক সিকদার।
গত সোমবার রাত ১২ টার দিকে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সোনালিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
অবরুদ্ধ সফিক সিকদার একই ইউনিয়নের কটামারা গ্রামের রহমান সিকদারের ছেলে এবং দুই সন্তানের জনক তিনি।
এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানাজানি হলে উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তাদের স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে তাকে স্থায়ীভাবে দল থেকে বহিষ্কার করার নোটিশ দেয়।
জানা যায়, সোনালিয়া গ্রামের সামান মিয়ার মেয়ে সাবিনা আক্তারের একই এলাকায় বিয়ে হয়েছিল। তবে বিয়ের মাত্র কয়েক মাস পর স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে প্রায় তিন বছর আগে তিনি সৌদি আরব চলে যান। কয়েক মাস আগে সাবিনা দেশে ফিরে আসার পর কটামারা গ্রামের বিএনপি নেতা সফিক সিকদারের সঙ্গে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
সোমবার রাতে সফিক গোপনে সাবিনার বাড়িতে আসেন। বিষয়টি আগে থেকেই টের পেয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী ওই বাড়ির আশেপাশে গোপনে পাহারা বসায়। রাত ১১টার দিকে সফিক ঘরে প্রবেশ করার পর, রাত ১২টার দিকে স্থানীয় জনতা বাড়িটির চারপাশ থেকে ঘেরাও করে তাদের দুজনকে হাতেনাতে আটকিয়ে ফেলে। এই খবর এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ শত শত উৎসুক জনতা ওই বাড়িতে ভিড় জমায়।
ঘটনার পর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও পুলিশের উপস্থিতিতে দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর গভীর রাতে এক অভিনব সমাধান আসে। অভিযুক্ত সফিক সিকদার এবং সাবিনা আক্তার উভয়ের সম্মতিতে ৫ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে দুজনকে সেখান থেকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সকালে কাজী ডেকে ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
এ ঘটনার পর তাঁর প্রথম স্ত্রী ও দু সন্তান মিলে তাকে বেধড়ক মারধর করলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বর্তমানে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন বলে জানা গেছে।