ঢাকা | সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ - ১১:২৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন

  • দৈনিক নবোদয় ডট কম
  • আপডেট: Tuesday, September 8, 2026 - 3:31 pm
  • News Editor
  • পঠিত হয়েছে: 14 বার

ইমাম হাসান জুয়েল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:“মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে র‍্যালিটি বের করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী। র‍্যালিতে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহীন সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ একরামুল হক, পিপিএম, সদর উপজেলা

উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর আলম, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুল মতিন, জেলা শিক্ষা অফিসের গবেষণা কর্মকর্তা মোঃ মেসবাহ উদ্দীন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জের
উপপরিচালক গোলাম মোস্তফা এবং নবাবগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) লতিফা হকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী।

এ সময় জেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা র‍্যালিতে অংশ নেন। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। আয়োজকরা জানান, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, মানসম্মত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নে সাক্ষরতার গুরুত্ব অপরিসীম।

বক্তারা বলেন, শুধু অক্ষরজ্ঞান অর্জনই সাক্ষরতার মূল উদ্দেশ্য নয়; বরং অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে দক্ষতা, সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি করাই আধুনিক সাক্ষরতার লক্ষ্য।

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে একটি দক্ষ ও সমৃদ্ধ প্রজন্ম গড়ে উঠবে। আর শিক্ষিত ও দক্ষ জনগোষ্ঠীই দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা আরও বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার মূলধারায় নিয়ে আসতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। এজন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।